ফাইল ছবি

বিশ্বজিৎ ঘোষ, কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘হিটলারি’ শাসনের অবসানের লক্ষ্যে জনসেবাকে এ বার হাতিয়ার করছে বিজেপি৷ এবং, এই পরিকল্পনা রূপায়ণের লক্ষ্যে আগামী অগস্ট মাসে দলের সদস্যদের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছে পশ্চিমবঙ্গের গেরুয়া শিবির৷

এ রাজ্যের সরকারি চিকিৎসা পরিষেবা ক্ষেত্রে বাংলার বিজেপির তরফে অবশ্য এই ধরনের জনসেবা প্রদানের ব্যবস্থা চালু রয়েছে৷ এবং, এই ধরনের জনসেবার কাজ করে চলেছে রাজ্য বিজেপির স্বাস্থ্য পরিষেবা সেল৷ তবে, কীভাবে এই জনসেবার ভিত্তি আরও পোক্ত করা যায়, এবং তার জন্য কীভাবে এই সেলের সদস্যদের একযোগে কাজ করতে হবে, সেই সব বিভিন্ন বিষয়ে আগামী অগস্ট মাসে কলকাতায় দুই দিনের প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করা হচ্ছে৷

কিন্তু, শুধুমাত্র আবার এ ভাবে জনসেবার মাধ্যমে দলের সঙ্গে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের সাধারণ মানুষের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের বিষয়টিও নয়৷ কারণ, বিজেপির লক্ষ্য যেহেতু এ বার পশ্চিমবঙ্গ, ‘মিশন বেঙ্গল’, সেই জন্যেও এই ধরনের জনসেবার ভিত্তিকে রাজ্যের গেরুয়া শিবিরের তরফে আরও পোক্ত করতে চাওয়া হচ্ছে বলেও জানা গিয়েছে৷ আর, এই লক্ষ্য পূরণের জন্যেও পশ্চিমবঙ্গে দলের ৩৩টি সাংগঠনিক জেলায় রাজ্য বিজেপির স্বাস্থ্য পরিষেবা সেলের সদস্যদের একযোগে আরও সক্রিয় করে তুলতে প্রশিক্ষণ শিবিরের এই পরিকল্পনা বলে জানানো হয়েছে৷

এই বিষয়ে রাজ্য বিজেপির স্বাস্থ্য পরিষেবা সেলের আহ্বায়ক ইন্দ্রজিৎ সিনহার কাছে জানতে চাওয়া হলে www.kolkata24x7.com-কে তিনি বলেছেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হিটলারি শাসনের অবসানের জবাব আমরা দেব সেবার মাধ্যমে৷’’ কীভাবে? তিনি বলেন, ‘‘অগস্ট মাসে স্বাস্থ্য পরিষেবা সেলের সদস্যদের জন্য দুই দিনের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে৷ এই প্রশিক্ষণ শিবিরের জন্য রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সম্মতি আমরা পেয়েছি৷ তবে, অগস্ট মাসের কোন দুই দিন কলকাতায় এই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে, সেই বিষয়ে শীঘ্রই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে৷’’

শুধুমাত্র তাই নয়৷ ইন্দ্রজিৎ সিনহার কথায়, ‘‘আমাদের ৩৩টি সাংগঠনিক জেলায় স্বাস্থ্য পরিষেবা সেলের সদস্যরা ২৪ ঘণ্টা সাধারণ মানুষের পাশে রয়েছেন৷ রাজ্যের কোন হাসপাতালে কোন রোগীর জন্য সহায়তার প্রয়োজন, সেই সব বিষয়ে দলের অন্য মোর্চাগুলির তরফেও আমাদের জানানো হয়৷ কারণ, এ রাজ্যের সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় পড়তে হয়৷ তাই, এ ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষকে যাতে সমস্যায় পড়তে না হয়, তার জন্য আমাদের সেলের সদস্যরা পরিজনের মতো রোগীর বাড়ির লোকের পাশে থাকেন৷’’ একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘‘আমাদের সেলের সদস্যদের এই সেবার মান কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, তার জন্য কীভাবে সদস্যদের কাজ করতে হবে, অগস্ট মাসে দুই দিনের প্রশিক্ষণ শিবিরে এই ধরনের বিভিন্ন বিষয় রাখা হয়েছে৷’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।