শ্রীনগর : ভয়াবহ গুলির লড়াই জম্মু কাশ্মীরের সোপিয়ানে। জঙ্গি ও সেনাবাহিনীর এই গুলির লড়াই বৃহস্পতিবার সারাদিন উত্তপ্ত উপত্যকা। দক্ষিণ কাশ্মীরের সোপিয়ান জেলায় গোপন সূত্রে খবর পেয়ে হানা দেয় জম্মু কাশ্মীর পুলিশ ও সেনার বিশেষ যৌথ টিম।

জঙ্গিরা লুকিয়ে রয়েছে, এই খবর গোপন সূত্রে পায় যৌথ বাহিনী। তারপরেই গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে তল্লাশি শুরু করে সেনা। আচমকা এক জঙ্গি গুলি চালাতে শুরু করে সেনা ও পুলিশের যৌথ বাহিনীর ওপর। পালটা জবাব দেয় বাহিনীও। শুরু হয় গুলির লড়াই।

শেষ পাওয়া খবরে গুলির লড়াই চলছে। যদিও কোনও মৃত্যুর খবর মেলেনি। এদিকে, দিন কয়েক আগেই সেনা জঙ্গির গুলির লড়াইয়ে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কাশ্মীরের পুলওয়ামা। পুলওয়ামার কাকাপোরায় সেনার গুলিতে নিকেশ হয় তিন জঙ্গি। এদিন জম্মু- কাশ্মীর পুলিশ এই খবর টুইট করে জানায়। এই বছরের শুরু থেকেই জঙ্গি দমন অভিযানে গোটা কাশ্মীরেই বেশ বড়সড় সাফল্য পায় সেনা।

এদিন জঙ্গি উপস্থিতির খবর পেয়ে নিরাপত্তা বাহিনী দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামার কাকাপোরায় অভিযান চালায়। সেনার তল্লাশি অভিযান শুরু হলে আচমকাই নিরাপত্তা বাহিনীর উপরে গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। পালটা জবাব দেয় নিরাপত্তা বাহিনীও। এমমকী জঙ্গিদের আত্মসমর্পণও করতে বলা হয়। কিন্তু জঙ্গিরা সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে লাগাতার গুলি চালাতে থাকে। শুরু হয় উভয় পক্ষের মধ্যে গুলির লড়াই। আর তাতেই মারা যায় ৩ জঙ্গি।

সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে পুলওয়ামার ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়।এদিকে গোটা এলাকায় আরও জঙ্গি লুকিয়ে থাকতে পারে বলে খবর পায় সেনা। তাই তাদের খোঁজে গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে তল্লাশি শুরু করে সিআরপিএফ ও সেনার যৌথ বাহিনী। চলে চিরুনি তল্লাশি। জঙ্গিদের পরিবারগুলিকে আটকও করে সেনা। ঘিরে ফেলা হয় গোটা এলাকা। এনকাউন্টারের জন্য সতর্ক থাকতে বলা হয় সাধারণ নাগরিককে।

জম্মু পুলিশের তরফে জানা গিয়েছে, গত কয়েকমাসে জঙ্গি দমনে প্রায় ২০ টির বেশি অভিযান চালিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। লাগাতার সেনা অভিযানে অনেকটাই কোনঠাসা জঙ্গি সংগঠনগুলো। যদিও এই অভিযানে গত দুই মাসে প্রাণ হারিয়েছেন ৩ সেনা জওয়ান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।