শ্রীনগর : রবিবার সকাল থেকেই উত্তপ্ত উপত্যকা। জম্মু কাশ্মীরের কুলগাম জেলার সিঘানপোর এলাকায় এনকাউন্টার শুরু হয়। সেনা জঙ্গি গুলির লড়াইয়ে সকাল থেকেই সন্ত্রস্ত এলাকার বাসিন্দারা।

পুলিশ ও ভারতীয় সেনার যৌথ টিম কাজ করছে। জঙ্গি লুকিয়ে থাকার খবর পেয়ে তল্লাশি চালাতে শুরু করে সেনা। তখনই শুরু হয় গুলির লড়াই। বিস্তারিত খবর পরে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কাশ্মীর জোন পুলিশ।

জি মিডিয়ার এক সূত্র জানাচ্ছে, জঙ্গিরাই প্রথম গুলি চালায় যৌথবাহিনীর ওপর। তারপরেই শুরু হয় এনকাউন্টার। এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গি ধরা না পড়লেও, শেষ পাওয়া খবর পর্যন্ত গুলির লড়াই চলছে। এই এলাকায় দুই থেকে তিন জন জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে বলে খবর। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলা হয়েছে।

দুদিন আগেই জম্মু কাশ্মীর পুলিশের ডিজিপি দিলবাগ সিং দাবি করেছিলেন ক্রমাগত ভারতীয় সেনার সন্ত্রাসদমন অভিযান, একের পর এক জঙ্গি নেতাকে নিকেশের জন্যই এই সাফল্য এসেছে। এরই সঙ্গে রয়েছে কড়া পুলিশ প্রশাসন। পুলিশের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে বছরের শুরুতে যেখানে ৩৫০-৪০০ জঙ্গি সক্রিয় ছিল উপত্যকায়, সেই সংখ্যা কমে ২০০তে দাঁড়িয়েছে।

ডিজিপির বক্তব্য ছিল ২০১৯ সালে জুলাই পর্যন্ত খতম করা হয়েছিল ১৩১ জন জঙ্গিকে। কিন্তু জুলাই থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে নিকেশ করা হয় মাত্র ২৯জনকে। সেই মুহুর্তে জম্মু কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা দিকে নজর দেওয়ার দরকার ছিল। তবে ২০১৯ সালে ৬৭টি অপারেশন চালিয়ে ১৬০ জন জঙ্গিকে মারা সম্ভব হয়েছিল।

পুলিশের হিসেব বলছে ২০১৯ সালে পাঁচ হাজারেরও বেশি বার এলাকা কর্ডন করে তল্লাশি চালানো হয়েছে। ২০২০ সালে এখনও পর্যন্ত ১৫০জন জঙ্গিকে নিকেশ করা গিয়েছে। ১৫০ জন জঙ্গির মধ্যে ৩০ জন বহিরাগত ও ১২০ জন স্থানীয় বাসিন্দা। এর মধ্যে রয়েছে ৩৯জন টপ কমান্ডার।

এদিন দিলবাগ সিং বলেন কড়া নজরদারির জন্য বন্ধ অনুপ্রবেশ। এখন পাকিস্তান অস্ত্র সরবরাহের জন্য মানবহীন ড্রোন ব্যবহার করছে।

এদিকে, ৭ তারিখ ও ৮ তারিখ সীমান্ত জুড়ে টানা শেলিং করে পাকিস্তানি সেনা। এর জের ৬৫ বছরের এক প্রৌঢ়ের মৃত্যু হয় জম্মু কাশ্মীরের তাংধার সেক্টরের সীমান্ত এলাকায়। আহত হন আরও ৬জন সাধারণ মানুষ।

একাটানা গুলির লড়াই চলে কাশ্মীরের বেশ কয়েকটি সেক্টরে। ফলে সীমান্ত সংলগ্ন গ্রামগুলিতে আতঙ্ক তৈরি হয়। সেনা সূত্রে খবর, কুপওয়াড়া জেলার তাংধার সেক্টরেই সবথেকে বেশি হামলা চলে। তাংধার, নৌগাম ও উরি সেক্টরে হামলা চালায় পাকিস্তান। বিনা প্ররোচনায় পাক সেনা গুলি চালায় বলে খবর। কড়া প্রত্যুত্তর দেয় ভারতও।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও