শ্রীনগর : সকাল থেকেই সেনা জঙ্গি সংঘর্ষে উত্তপ্ত কাশ্মীর। প্রথমে পুলওয়ামা, তারপর সংঘর্ষ ছড়ালো কুপওয়াড়াতে। উত্তর কাশ্মীরের কুপওয়াড়ার লোলাব এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। গোটা এলাকা ঘিরে তল্লাশি চালাচ্ছে সেনা। একই দিনে দ্বিতীয়বার সেনা জঙ্গি সংঘর্ষে উত্তপ্ত ভূস্বর্গ।

সূত্রের খবর, জম্মু কাশ্মীর পুলিশ, সেনার ২৮ রাষ্ট্রীয় রাইফেলস, সিআরপিএফের যৌথ বাহিনী লোলাবের জঙ্গল এলাকায় নজরদারি চালাচ্ছিল। সেই সময়েই লুকিয়ে থাকা জঙ্গিরা গুলি চালায় যৌথবাহিনীর ওপর। পালটা জবাব দেয় সেনাও।

ওই এলাকায় আরও বাহিনী পাঠানো হয়। এক উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন কুপওয়াড়ার ওই এলাকায় শেষ পাওয়া খবর পর্যন্ত গোলাগুলি চলেছে।

গভীর জঙ্গলে এই সংঘর্ষে এখনও পর্যন্ত কোনও ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর মেলেনি।

এদিকে, সাতসকালে এনকাউন্টার হয় জম্মু কাশ্মীরের পুলওয়ামায়। বান্দজু এলাকায় নিরাপত্তা রক্ষী ও জম্মু কাশ্মীর পুলিশের সঙ্গে এনকাউন্টার চলে জঙ্গিদের। সূত্রের খবর অনুযায়ী, বাহিনীর হাতে ইতিমধ্যেই ২ জঙ্গি নিকেশ হয়েছে। তবে এখনও সার্চ অপারেশন চলছে বলে জানিয়েছে জম্মু কাশ্মীর পুলিশ।

জম্মু কাশ্মীরে একদিকে যখন নিরাপত্তা বাহিনীকে জঙ্গিদের দমন করতে হচ্ছে। অন্যদিকে একই ভাবে কড়া জবাব দিতে হচ্ছে পাক সেনাদেরও। চলতি বছরে বারেবারেই সীমান্তে যুদ্ধ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করছে পাক সেনা। দাবি করা হচ্ছে, জঙ্গিদের প্রবেশ করার ক্ষেত্রে সুবিধা করে দিতেই গুলি ছুঁড়ে ভারতীয় সেনাকে ব্যস্ত রাখার পুরনো পদ্ধতি নিয়েছে পাকিস্তান।

অন্যদিকে মঙ্গলবারই লাদাখ পরিস্থিতি পরিদর্শনে যাবেন সেনাপ্রধান এমএম নারাভানে।

মঙ্গলবার লেহতে ১৪ কর্পসের সঙ্গে দেখা করবেন তিনি। কর্পস কমান্ডারদের সঙ্গে বৈঠকে বসার কথাও রয়েছে তাঁর। লাদাখে দুদিনের সফরে যাচ্ছেন নারাভানে। গালওয়ান ভ্যালিতে ১৫ই জুনের সংঘর্ষে আহত জওয়ানদের সাথে দেখা করার কথা রয়েছে তাঁর। লাদাখের এই মুহুর্তের পরিস্থিতিও খতিয়ে দেখবেন সেনাপ্রধান। কেন দুদেশের বারবার বৈঠকেও কোনও ঐক্যমত্য মিলছে না, তা যাচাই করে দেখবেন নারাভানে। ফেরার পথে শ্রীনগরে ১৫ কর্পসের সাথেও দেখা করার কথা রয়েছে তাঁর।

সোমবার ২২শে জুন বেলা সাড়ে এগারোটা নাগাদ বৈঠকে বসেন ভারত এবং চিনের শীর্ষ সেনা আধিকারিকরা। বৈঠক চলে প্রায় রাত সাড়ে ১১ টা পর্যন্ত। কিন্তু সেই বৈঠকে কোনও মীমাংসা সূত্র বেরোয়নি বলে খবর।

আজ মঙ্গলবার ফের একবার দু’দেশের মধ্যে হাই-প্রোফাইল এই বৈঠক চলবে বলে জানা যাচ্ছে। মঙ্গলবার বৈঠকে কি সিদ্ধান্ত হয় সেদিকেই তাকিয়ে গোটা দেশের মানুষ। ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদন জানাচ্ছে, বেশ কয়েকটি বিষয়ে ঐক্যমত্যে আসা যাচ্ছে না। এই বৈঠকে চিনের কাছে কয়েকটি দাবি রেখেছে ভারত।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা