কলকাতা: অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে রয়েছে গরুপাচার কাণ্ডের অন্যতম মাস্টারমাইন্ড এনামুল৷ তাকে এবার জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় সিবিআই৷ কিন্তু করোনা হয়েছে বলে সিবিআই জেরায় গড়হাজির এনামুল৷

করোনা আক্রান্ত বলে এনামুলকে ১৪ দিন আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দিয়েছিল সিবিআই৷ আইসোলেশনের মেয়াদ শেষ হওয়া মাত্রই তাকে ফের হাজিরার নির্দেশ দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংখ্যা৷ কিন্তু এনামুল তার আইনজীবী মারফত জানিয়ে দেয়,তার করোনা হয়েছে৷

সত্যিই তার করোনা পজিটিভ ছিল কিনা, তার জন্য সরকারি হাসপাতালে তাকে ফের করোনা পরীক্ষা করতে বলে সিবিআই৷ ফলে মঙ্গলবার বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে হাজির হয় এনামুল৷

এখন রিপোর্টের ওপরেই নির্ভর করছে এনামুলের গ্রেফতারি৷ সূত্রের খবর, এনামুলের করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ এলেই গ্রেফতার করা হবে৷ ততক্ষণ পর্যন্ত এনামুলের ওপর নজরদারি চালাবে সিবিআই৷

মঙ্গলবার কলকাতার নিজাম প্ল্যালেস-র সিবিআই দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল এনামুলের। কিন্তু তিনি আইনজীবী মারফত জানিয়ে দেয়,তার করোনা হয়েছে।

দিল্লিতে গ্রেফতারির পর করোনা হয়েছে বলে দাবি করেন ব্যবসায়ী এনামুল। এর জেরে অন্তর্বতী জামিন পান তিনি৷

অন্যদিকে গরু পাচারকাণ্ডে ধৃত বিএসএফ কমান্ডো সতীশ কুমারের ১৪ দিনের সিবিআই হেফাজত হয়েছে৷ গরুপাচারকাণ্ডে এনামুল হকের সঙ্গে সতীশ কুমারের যোগসাজশ রয়েছে বলে অভিযোগ৷

যদিও আগেই সতীশ কুমারের সল্টলেকের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল সিবিআই৷ তারপর তার বাড়ি সিল করে দেয় সিবিআই৷ গরুপাচারকাণ্ডে এনামুল হকের সঙ্গে সতীশ কুমারের যোগসাজশ রয়েছে বলেও অভিযোগ৷ তাছাড়া সিবিআইয়ের এফআইআরে প্রথম নাম সতীশ কুমারের৷ যিনি ২০১৫ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত বিএসএফের ৩৬ নম্বর ব্যাটেলিয়নের কমান্ডান্ট ছিলেন৷

গরু পাচারকাণ্ডে সিবিআই তদন্তে উঠেছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য৷ শুধু সতীশ কুমারই নয়, সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই) এর নজরে বিএসএফ ও শুল্ক দফতরের আরও ১২ আধিকারিক৷ এদের মধ্যে ৭ জন বিএসএফ আধিকারিক, ৫ জন রয়েছেন কাস্টমসে৷

এছাড়া সিবিআইয়ের এফআইআরে উঠে এসেছে এনামুল হক, আনারুল শেখ ও মহম্মদ গোলাম মুস্তাফা নামে তিনজন গরু পাচারকারীর নাম৷ অভিযোগ এরা মালদা, মুর্শিদাবাদ এলাকা থেকে বাংলাদেশে গরু পাচার করে থাকে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।