নয়াদিল্লি: সরকারী কর্মচারীরা শীঘ্রই তাদের কাজের সময়, বেতন কাঠামো, টেক হোম স্যালারি, প্রভিডেন্ট ফান্ড এবং গ্র্যাচুয়টির ক্ষেত্রে বড়সড় পরিবর্তন দেখতে পাবেন। এই সমস্ত পরিবর্তনগুলি নতুন শ্রম আইনের আওতায় সংঘটিত হতে চলেছে। কেন্দ্রীয় সরকার ২০১৯ সালে সংসদে চার নতুন শ্রম আইন পাশ করে। সরকার  ১ এপ্রিল থেকে নতুন শ্রম আইন প্রয়োগ করতে চেয়েছিল।কিন্তু সংস্থাগুলোর এইচআর সংক্রান্ত নিয়মাবলী পরিবর্তনে বিলম্ব হওয়ায় এই আইন কার্যকর হয়নি।

কেন্দ্রীয় সরকার যে চারটি নতুন শ্রম আইন বিধি রূপায়ণ করতে চলেছে সেখানে বেতন কাঠামোর পরিবর্তন ছাড়াও সেখানে কর্মীদের সপ্তাহে চার দিন কাজ ও তিন দিন ছুটির বিকল্পও দেওয়া হয়েছে। তবে, একজন কর্মীকে দিয়ে সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টার বেশি কাজ না করানোর বিধি এখনকার মতোই নতুন শ্রম আইনেও অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে নিয়োগ কর্তার সম্মতি সাপেক্ষে কোনও কর্মী যদি সপ্তাহে চার দিন কাজ করার বিকল্প নিতে চান, তবে তাঁকে দৈনিক ১২ ঘণ্টা কাজ করতে হবে এবং সপ্তাহে তিন দিন ছুটি নিতে হবে। যারা সপ্তাহে পাঁচ দিন কাজ ও দু’দিন ছুটি নিতে চান তাঁদের দৈনিক সাড়ে ন’ঘণ্টা করে কাজ করতে হবে। আর, ছ’দিন কাজ করতে চাইলে এখনকার মতো দৈনিক আট ঘণ্টা কাজ করতে হবে।

আরোও পড়ুন: পোস্ট অফিসের বিশেষ স্কিম: ১০ বছরে দ্বিগুণ রিটার্ন নিশ্চিত

নির্ধারিত কাজের সময় থেকে ৩০ মিনিট বেশি কাজ করলেই তা ওভারটাইম হিসেবে নির্ধারিত হবে। কোনও কর্মচারীকে ৫ ঘন্টার বেশি সময় ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করতে নিষেধ করা হয়েছে এই নয়া আইনে। যিনি টানা ৫ ঘন্টা কাজ করেছেন, তাকে অবশ্যই আধ ঘন্টা সময় দিতে হবে বিশ্রামের জন্যে।

পাশাপাশি, নতুন শ্রম নিয়মে কোম্পানিগুলিকে তাঁদের সমস্ত কর্মীকে PF ও ESI-এর সুবিধা দিতে হবে। কোনও সংস্থা তৃতীয় পক্ষ বা চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অজুহাত দেখিয়ে PF ও ESI দিতে অস্বীকার করতে পারবে না। চুক্তিভিত্তিক কর্মী অথবা তৃতীয় পক্ষ মারফত নিয়োগ হওয়া কর্মীদেরও দিতে হবে পুরো বেতন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.