প্রদ্যুত দাস, জলপাইগুড়ি: নির্বাচনী আচরণবিধির জন্য ডাকা যায়নি টেন্ডার, আর এই কারণে কাজে বহাল রাখা যাবে না ঠিকা কর্মচারীদের। এই অজুহাত দিয়ে ৫৮ জন ঠিকা কর্মচারীকে ছাঁটাই করে দেওয়ার অভিযোগ ভারত সরকারের কেন্দ্রীয় জল আয়োগের জলপাইগুড়ি দফতরের বিরুদ্ধে।

বাৎসরিক চুক্তির ভিত্তিতে ৫৮ জন ঠিকা কর্মচারীকে নিয়োগ করে কেন্দ্রীয় জল আয়োগ। কিন্তু এপ্রিল মাসে জানিয়ে দেওয়া হয় দফতরের পক্ষে এবার চুক্তি ভিত্তিতে তাদের নিয়োগ করা সম্ভব নয়৷ কারণ ভোট ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। ভোট মিটলে নিয়োগ করা হলেও দক্ষ শ্রমিকের বদলে অদক্ষ শ্রমিক হিসাবে নিয়োগ করার কথা জানিয়েছে তাদের। এরফলে বেতনও কম মিলবে তাদের।

এমনকি গত একমাস কাজ করলেও সেই বেতন তাদের প্রদান করা হয়নি। এদিন থেকে এই ক্ষোভে দফতর আটকে বিক্ষোভ দেখায় ৫৮ জন ঠিকা কর্মচারীদের। দাবি পূরণ না হলে আন্দোলন তীব্র করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা। এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় জল আয়োগের জলপাইগুড়ি দফতরের আধিকারিক জানিয়েছেন, এই কর্মচারীরা ঠিকাদারের অধীনে কাজ করে। তাদের বিষয়ে দফতরের পক্ষ থেকে কিছু বলা সম্ভব নয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.