কলকাতা: আসন্ন বিধানসভা ভোট অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে তৎপর কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা নিজে এব্যাপারে জোরদজার তৎপরতা নিচ্ছেন। ইতিমধ্যেই রাজ্যের পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে এব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বাংলায় অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করতে গেলে আরও কী কী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বৈঠকে।

শিয়রে বঙ্গে বিধানসভা ভোট। কোমর বেঁধে রাজনৈতিক প্রচারে শাসক-বিরোধী সব পক্ষ। গত বেশ কয়েকটি নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে অশান্তি হয়। যা নিয়ে পরবর্তী সময়ে মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। কয়েকমাস পরেই রাজ্যে বিধানসভা ভোট।

আসন্ন নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে ইতিমধ্যেই জোরদার তৎপরতা নিয়েছে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। মাসখানেক আগে থেকে রাজ্যে আসতে শুরু করেছেন কেন্দ্রীয় নির্বাচনী আধিকারিকরা। এবার রাজ্যে এসেছে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল-বেঞ্চ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরার নেতৃত্বে কমিশনের দল রাজ্যে এসে দফায়-দফায় বৈঠক সেরেছেন পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে।

সুষ্ঠু ভোট করতে গেলে প্রথমেই আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। প্রয়োজনে আরও কড়া অবস্থান নিতে হবে প্রশাসনকে। রাজ্যের প্রশাসনিক ও পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে সেই বার্তাই দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা।

রাজ্যের পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে আলাদা করে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছে কমিশন। সব জেলার পুলিশ সুপারদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। অবাধ ভোট করতে আরও কী কী ব্যবস্থা নেওয়া যায় সেব্যাপারেও বিস্তারিতভাবে আলোচনা হয়েছে।

একদিকে প্রশাসন ও পুলিশের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক ও অন্যদিকে কথা রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে। গতকালই কলকাতার পাঁচতারা হোটেলে রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা।

শাসকদল তৃণমূল কমিশনের কর্তাদের কাছে একাধিক নালিশ করেছে। রাজ্যের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে বিএসএফ নির্দিষ্ট একটি দলকে ভোট দিতে গ্রামবাসীদের উপর চাপ সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

যদিও আজই তৃণমূলের সেই অভিযোগ বিবৃতি দিয়ে নস্যাৎ করেছে বিএসএফ। মুখ্য় নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা তৃণমূলের তোলা এই অভিযোগকে ‘দুর্ভাগ্য়জনক’ বলে আখ্য়া দিযেছেন৷ তিনি বলেন, ‘‘ বিএসএফ দেশের অন্যতম সেরা বাহিনী৷ এ বছরের এপ্রিল-মে মাসে পশ্চিমবঙ্গে অনুষ্ঠিত বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটি রাজনৈতিক যুদ্ধের ময়দানে তাদের টানা উচিত নয়। এটা দুর্ভাগ্যজনক যে একটি দল বিএসএফ সম্পর্কে এমন অভিযোগ করেছে। আমি এই অভিযোগের স্বপক্ষে প্রমাণ চেয়েছি ওদের কাছে৷ তারা (বিএসএফ) দেশের অন্যতম সেরা বাহিনী।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।