নয়াদিল্লি: গ্রাহকরা সাবধান কারণ ইএমআই মোরাটোরিয়াম এর নাম করে প্রতারকরা যোগাযোগ করছে। আর সে কথা জানিয়ে নিজ নিজ গ্রাহকদের সতর্ক করছে বিভিন্ন ব্যাংক। ইএমআই মোরাটোরিয়াম এর নাম করে যদি কেউ ফোনে যোগাযোগ করে তাহলে তাকে কোনমতেই ওটিপি নাম্বার অথবা পিন নাম্বার ইত্যাদি দিতে নিষেধ করা হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে স্টেট ব্যাংক, অ্যাক্সিস ব্যাংক সহ বিভিন্ন ব্যাংক তাদের গ্রাহকদের কাছে এসএমএস অথবা ইমেইল মারফত সতর্ক করছে।

কারণ সম্প্রতি এই ইএমআই মোরাটোরিয়ামের নাম করে প্রতারক এবং সাইবার ক্রিমিনালরা নেমে পড়েছেন গ্রাহকদের ব্যাংক সংক্রান্ত তথ্য জেনে নিয়ে টাকা সরাতে। এই কারণে অ্যাক্সিস ব্যাংক তার গ্রাহকদের সুরক্ষা কথা মনে করে ইমেইল পাঠিয়ে এই নতুন প্রতারকদের সম্পর্কে সতর্ক করতে। দেখা গিয়েছে এইসব প্রতারকরা গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানাচ্ছে ইএমআই স্থগিতের ব্যাপারে সহায়তা করবে। আর তারপর গ্রাহকের কাছ থেকে ওটিপি, সিভিভি, পাসওয়ার্ড, পিন নম্বর ইত্যাদি জেনে নিয়ে টাকা লোপাট করা হচ্ছে।

একই রকম ভাবে দেশের বৃহত্তম ব্যাংক স্টেট ব্যাংক তার গ্রাহকদের সতর্ক করেছে এই নতুন ধরনের সাইবার ক্রাইমের বিষয়ে। ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওইসব প্রতারকরা গ্রাহকদের ইএমআই স্থগিত করে দেবে বলে ফোন করছে এবং তাদের কাছ থেকে ওটিপি নম্বর চাইছে। আর ওই ওটিপি দেওয়া হলেই গ্রাহকের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা পাচার হয়ে যাচ্ছে। এইচডিএফসি ব্যাংকের এক কর্তা জানিয়েছেন, সব সময় প্রতারকরা নতুন নতুন পন্থা খোঁজেন যাতে অন্যদের বোকা বানানো যায়।

এখন ঐসব প্রতারকরা ইএম আই স্থগিতের দিকটা তাদের স্বার্থসিদ্ধির কাজে লাগাতে চাইছে বলে তিনি জানান। প্রসঙ্গত, বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাস মহামারীর আকার ধারণ করেছে ৷ এই অবস্থায় করোনা ভাইরাস যাতে গোটা দেশে ছড়িয়ে না পড়ে তারজন্য গত সপ্তাহ থেকে ২১ দিনের লক ডাইন শুরু হয়েছে ৷ তবে তার জেরে রীতিমতো বিপাকে পড়েছে জনগণ৷ সেই কথা ভেবে একে একে বেশ কিছু পদক্ষেপ করা হচ্ছে৷ যেমন আর্থিক সংকটে পড়া ঋণ গ্রহীতাদের অসুবিধার কথা মাথায় রেখে রিজার্ভ ব্যাংক মেয়াদি ঋণের উপর ইএমআই দেওয়ার ক্ষেত্রে তিন মাসের মোরাটোরিয়াম ঘোষণা করেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.