তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: হাতির তাণ্ডবে প্রাণ ওষ্ঠাগত বাঁকুড়া উত্তর বনবিভাগের সোনামুখী রেঞ্জের জঙ্গল লাগোয়া বন পারুলিয়া, মাস্টারডাঙ্গা, বেশিয়া গ্রামের মানুষ। বিঘার পর বিঘা ধানের জমি পরিযায়ী হাতির দল নষ্ট করে ফেলছে। চরম সমস্যায় ঐ এলাকার প্রান্তিক মানুষ গুলি।

প্রসঙ্গত, গত কয়েক দিন আগে বড়জোড়া থেকে ৪০ টি হাতির একটি দল সোনামুখী বনাঞ্চলে ঢুকে পড়ে। তার পর থেকেই সোনামুখী রেঞ্জ এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে তারা। সূর্যাস্তের কিছুক্ষণ পরেই তারা নেমে পড়ছে ধানের জমিতে। পেকে যাওয়া ধান নষ্ট করে ফেলছে ভারী পায়ের চাপে।

সোমবার সকালে বন পারুলিয়া, মাস্টার ডাঙ্গা, বেশিয়া গ্রামে গিয়ে দেখা গেল, বিঘার পর বিঘা ধান জমি নষ্ট করে ফেলেছে ৪০ সদস্যের ঐ হাতির দলটি। ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামবাসীরা ধারাবাহিকভাবে হাতির এই আক্রমণের পিছনে বনদপ্তরের উদাসীনতাকেই দায়ি করছেন। তাদের দাবি, হাতি তাড়াতে কোনও সদর্থক ভূমিকা বনদফতর গ্রহণ করেনি।

স্থানীয় বাসিন্দা গঙ্গাধর শিকারী, হারাধন চৌধুরী, স্বপন পালরা বলেন, পোকার আক্রমণ থেকে কোনও রকমে ধান রক্ষা করা গেছে। ঠিক তারপরই হাতির হানা শুরু। হাতি তাড়াতে বনদফতরের তরফে কোনও সাহায্য মেলেনি। হুলাপার্টি তো দূরের কথা, মশাল, তেল, সার্চ লাইট কোনও কিছুই দিয়ে সাহায্য করেনি স্থানীয় বনদফতর। বিট অফিসারের মোবাইলে ফোন করলেও তা সুইচড্অফ বলে ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি।

এই অবস্থায় সব হারিয়ে তাঁদের পথে বসার অবস্থা বলে তাঁরা জানিয়েছেন। যে কাজ বন দফতরের করার কথা, সে কাজ তারা করছেন না, গ্রামবাসীদের একার পক্ষে কোনভাবেই হাতির দল তাড়ানো সম্ভব নয়। ফলে চোখের সামনে বহু কষ্টে চাষ করা ধানের জমির ক্ষতি হতে দেখা ছাড়া কোনও পথ নেই বলেই তাঁরা জানান।

সোনামুখী বনাঞ্চলের বনাধিকারিক দয়াল চক্রবর্ত্তী হাতির আক্রণে ধান চাষের ক্ষতির কথা স্বীকার করে নিয়ে বলেন, গত ছ’সাত দিন ধরে ৩৬ থেকে ৪০ হাতির দল এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। ইতিপূর্বে আমরা দু’বার অন্যত্র সরিয়ে দিয়েছি। আবার হাতির দলটি এখানেই ফিরে আসছে।

গ্রামবাসীদের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা’। আমাদের কর্মী ও হুলাপার্টির সদস্যরা নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন। তবে ক্ষতিগ্রস্তরা প্রত্যেকেই সরকারী নিয়মানুযায়ী ক্ষতিপূরণ পাবেন। তবে অনেক সময় চাষীদের বাধা দেওয়ার কারণেই হাতির দলকে অন্যত্র সরানো সম্ভব হয়নি, ওনারা সাহায্য করলেই আজই হাতির দলটিকে সরিয়ে ফেলবেন বলে বনাধিকারিক আশ্বাস দেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।