তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: দলমার দামালরা ফের ঢুকে পড়ল বাঁকুড়ার সোনামুখী এলাকার জঙ্গলে। গত কয়েক দিন ধরে ৩০টি হাতির দল সোনামুখী রেঞ্জের মানিকবাজার বিট এলাকায় ঘাঁটি গেড়েছে। ওই এলাকার জঙ্গল সংলগ্ন মানিকবাজার, কৌড়াশুলি, ভীমাড়া, মাছডোবা, দক্ষিণশোল গ্রামের মাঠে মরশুমী সব্জী সহ আলুর ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন এলাকার মানুষ। চরম সমস্যায় রয়েছেন এলাকার সাধারণ মানুষ।

বনদফতর সূত্রে খবর, গত সোমবার ১৬ ও ১৪ টি হাতির দু’টি দল পাঞ্চেত ডিভিশন থেকে দ্বারকেশ্বর নদী পেরিয়ে এক সঙ্গে সোনামুখী এলাকার মানিকবাজার জঙ্গলে ঢুকে পড়ে। ওই হাতির দলে কয়েকটি শাবকও আছে বলে জানা গিয়েছে। হাতির উপস্থিতির খবর পেয়েই বনদফতরের পক্ষ থেকে এলাকার সাধারণ মানুষকে সতর্ক করা হয়েছে। প্রশিক্ষিত বনকর্মীদের সঙ্গে হুলা পার্টিও হাতি তাড়াতে কাজ করে চলেছেন। বুধবার সন্ধ্যে থেকেই বনদফতরের পক্ষ থেকে ওই হাতি গুলিকে বড়জোড়া বেলিয়াতোড় রেঞ্জের দিকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা অশোক লোহার বলেন, আগে প্রায় এই এলাকায় নিয়ম করে হাতির দেখা যেত৷ কিন্তু গত তিন চার বছর সেইভাবে হাতির দেখতে পাওয়া যায়নি। আমরা সাধারণ মধ্যবিত্ত কৃষিজীবি মানুষ খুব আতঙ্কে আছি। মাঠ ভরা আলু আর মরশুমী সবজি। একবার আলুর খেতে হাতির দল ঢুকে পড়লে আর রক্ষে থাকবে না।

এই অবস্থায় বনদফতরের পক্ষ থেকে হাতির দলটিকে এলাকা থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হলেও তা অত্যন্ত ধীর গতিতে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তার দাবি যেভাবেই হোক সাধারণ কৃষিজীবি মানুষের কথা ভেবে দ্রুততার সঙ্গে এলাকা ছাড়া করা হোক হাতির দলটিকে। প্রয়োজনে এই কাজে বনকর্মীদের সঙ্গে গ্রামবাসীরাও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবেন বলে তিনি জানান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।