ফাইল ছবি

তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া : সন্ধ্যে হলেই একরাশ আতঙ্ক তাড়া করে বেড়াচ্ছে বাঁকুড়া উত্তর বনবিভাগে বেলিয়াতোড় রেঞ্জ এলাকার জঙ্গল লাগোয়া বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষদের।

প্রতিদিন সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে নিয়ম করে প্রায় ৪০ সদস্যের একটি হাতির দল দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ঐ এলাকার শ্রীকৃষ্ণপুর, আমঠ্যা, সাগরকাটা, বৃন্দাবনপুর, হরিশচন্দ্রপুর, বড়কুড়া, সাওলিয়ার পাকা ধান জমিতে। বেশ কিছু জমির ধান খেয়ে ফেলার পাশাপাশি পায়ের চাপে নষ্ট হচ্ছে আরও বেশী। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত হাতির হানায় আট থেকে দশ একরের বেশি ধানের জমি ক্ষতি করেছে বলে দাবি ঐ এলাকার মানুষের।

জঙ্গলে মূলত খাবার কমে যাওয়ায় বার বার ধানের জমিতে হাতির এই আক্রমণ অনেকে মনে করছেন।

ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামবাসী জন্মেজয় ভুঁই, অভিজিৎ মল্লরা বনদফতরের ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, ক্ষতিপূরণ পরের কথা। সবার আগে এই পরিযায়ী হাতির দলটিকে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হোক। কৃষি জমিতে ক্ষতির পাশাপাশি অনেক সময় লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে।ফলে তাঁরা চরম আতঙ্কে আছেন। যেকোনও মূল্যে তাঁরা এই আতঙ্ক থেকে মুক্তি চান বলে জানান।

বেলিয়াতোড় রেঞ্জের বনাধিকারিক দেবদাস রায়কে এবিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরার সামনেই বনদফতরের দিকেই অভিযোগের আঙ্গুল তোলেন। তিনি বলেন, সোনামুখী, বড়জোড়া, রাধানগর হাতি পের করতে বাধা দিচ্ছে। ফলে হাতির দলটি বেশী দিন বেলিয়াতোড়েই আটকে গেছে। ফলে বনদপ্তরের সমন্বয়ের অভাবেই তার রেঞ্জ এলাকায় এই সমস্যা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।