নয়াদিল্লি : নির্বাচনী বন্ড প্রকল্পকে ঘিরে বড় সড় কেলেঙ্কারি চলছে বলে অভিযোগ তুলে তা অবিলম্বে বন্ধের দাবি জানাল কংগ্রেস। কংগ্রেসের অভিযোগ, নির্বাচনী বন্ডের অর্থ হল একদিকে টাকা দাও অন্যদিকে বিনিময়ে সুবিধা নাও ৷ এই নিয়ে বিজেপি-র স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

আগেই সনিয়া গান্ধী অভিযোগ করেছিলেন, বিজেপি দলের তহবিলে কালো টাকা ঢোকাতে এই বন্ড চালু করেছে ৷ নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে কোন রাজনৈতিক দল কত টাকা পেয়েছে, তা প্রকাশ করারও দাবি জানানো হয়। প্রিয়াংকা গান্ধীও এই নিয়ে প্রশ্ন তুলে টুইট করেছেন। তার উপর এই বন্ড নিয়ে খবর প্রকাশিত হওয়ায় বিষয়টি গোটা দেশেই আলোড়ন ফেলেছে। তারই প্রেক্ষিতে সাংবাদিক বৈঠক করেন কংগ্রেসের দুই মুখপাত্র, গৌরব গগৈ ও সুপ্রিয়া শ্রীনেত। এই বন্ডের বিষয়টি সংসদে তুলবেন বলে তারা জানান৷

ইতিমধ্যেই এই নির্বাচনী বন্ডের বৈধতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলছে৷ কারণ বিরোধীরা গোড়া থেকেই এই বন্ড নিয়ে আপত্তি করেছিল। তাছাড়া খোদ নির্বাচন কমিশন এই বন্ড নিয়ে আপত্তি তুললেও তা সংসদে চেপে গিয়েছিল নরেন্দ্র মোদীর সরকার বলেও অভিযোগ রয়েছে৷ তথ্যের অধিকার আইনের বলে এক প্রাক্তন সেনাকর্মীর প্রশ্নের জেরে বিষয়টি সামনে আসে।

সাংবাদিক বৈঠকে কংগ্রেস মুখপাত্ররা দাবি করেছেন, ২০১৭সালেই নির্বাচন কমিশন এই বন্ডের ব্যাপারে আশঙ্কা ও আপত্তি জানিয়েছিল আইন ও বিচার মন্ত্রকের কাছে। তখন সেই ফাইল গিয়েছিল মন্ত্রকের অর্থনীতি বিষয়ক দফতরে এবং এই দফতরের কর্তারা কমিশনের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকও করেছিলেন। কিন্তু আপত্তিগুলি রয়েই যায়। কংগ্রেসের অভিযোগ,কমিশন জানিয়েছিল এতে ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ২৯বি ধারা লঙ্ঘিত হচ্ছে কিন্তু তাতেও মোদী সরকার কান দেয়নি। প্রশ্ন ওঠে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি বা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভূমিকার ৷