কলকাতা: বিদ্যুৎ‍ ও জরুরি পরিষেবা স্বাভাবিকের আপ্রাণ চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার। ট্যুইট করে জানাল স্বরাষ্ট্র দফতর। চারদিন পরেও অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ‍ আসেনি,নেই পানীয় জল৷ বিদ্যুৎ ও জনের দাবিতে কোথাও কোথাও বিক্ষোভ দেখানো হচ্ছে৷

এই পরিস্থিতিতে স্বরাষ্ট্র দফতর ট্যুইট করে জানাল, বিদ্যুৎ‍ ও জরুরি পরিষেবা স্বাভাবিকের আপ্রাণ চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার৷ সিইএসসি ও বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দিনরাত এক করে কাজ হচ্ছে।সেনা-এনডিআরএফের সহায়তায় গাছ সরানো হচ্ছে। এছাড়া অধিকাংশ পানীয় জল সরবরাহের প্ল্যান্টে বিদ্যুৎ ফিরেছে। অধিকাংশ হাসপাতালেও বিদ্যুৎ ফিরেছে, জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা। অধিকাংশ সেচ দফতরের পাম্পিং স্টেশন চালু হয়েছে। ট্যুইট করে জানাল স্বরাষ্ট্র দফতর।

প্রসঙ্গত,আমফানে পর পেরিয়ে গিয়েছে চার দিন৷ এখনও শহরের অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ আসেনি। অবশেষে রবিবার বিদ্যুৎ এসেছে শহরের বেশ কিছু জায়গায়। এদিন কোন কোন জায়গায় বিদ্যুৎ এসেছে, তার তালিকা প্রকাশ করেছে সিইএসসি। জানানো হয়েছে, যাদবপুর, সেলিমপুর, মুকুন্দপুর, সার্ভে পার্ক, পাটুলি, রিজেন্ট এস্টেট, এনএসসি বোস রোড, বেহালা চৌরাস্তা, জেমস লং সরণি, শীলপাড়া, লেকটাউন, যশোর রোড, নাগেরবাজার, রাস বিহারী কানেক্টর, বিবি চ্যাটার্জি রোড এলাকার বেশিরভাগ জায়গায় বিদ্যুত্‍ পরিষেবা স্বাভাবিক হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ উন্নয়ন নিগম লিমিটেড জানিয়েছে, সল্টলেক ও নিউটাউনে ফিরেছে বিদ্যুৎ‍। স্বাভাবিক হয়েছে বাগুইআটি, তেঘড়িয়ার একাংশের বিদ্যুৎ পরিষেবা। কেষ্টপুর, বাঁশদ্রোণীর একাংশেও ফিরেছে বিদ্যুৎ‍। বারাসাত, গড়িয়ার একাংশেও বিদ্যুৎ পরিষেবা এখন স্বাভাবিক হয়েছে। জেলায় কাঁথি, তমলুক, এগরার একাংশে বিদ্যুৎ‍ ফিরে এসেছে। অনদিকে শনিবার রাত থেকেই গাছ সারনোর কাজে নেমে পড়েছে সেনা।

সল্টলেকে পূর্তভবনের সামনের রাস্তায় পড়ে থাকা গাছ সরাতে হাত লাগাল তারা। রাস্তায় একাধিক গাছ পড়ে রয়েছে। এর জেরে রাস্তা বন্ধ। রবিবার সকালে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ ও সেনাকর্মীরা ওই পড়ে থাকা গাছ সরানোর কাজে হাত দেন।

প্রায় ৫০ জন সেনা কর্মী সল্টলেকে পূর্তভবনের সামনে গাছ সরানোর কাজে নেমেছেন। বেহালার রায়বাহাদুর রোডের চণ্ডীতলাতেও সেনা নামনো হয়েছে গাছ কাটতে। ওই এলাকার বিভিন্ন জায়গায় গাছ পড়ে রয়েছে। কিছু গাছ পড়েছে বিদ্যুতের তারের ওপর। তার জন্য এখনও কিছু এলাকা বিদ্যুত্‍হীন। রাতেই সেনা কর্মীরা গাছ সরানোর কাজ শুরু করেন। বিদ্যুত্‍ না থাকায় রাতে কাজে সমস্যা হয়। আজ সকাল থেকে ফের শুরু হয় গাছ কাটা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।