বারাকপুর: নির্বাচন পরবর্তী হিংসা শুরু হলো উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটি বিধানসভার বিভিন্ন এলাকায়। সোদপুর স্বদেশী মোড় সংলগ্ন বিজেপির অস্থায়ী নির্বাচনী কার্যালয় লক্ষ্য করে বোমা ছোড়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের দিকে। প্রথম দফায় পাঁচটি বোমা ছোড়ে দুষ্কৃতীরা, এরপর দ্বিতীয় দফায় আবার দুটি বোমা ছোড়ে বলে অভিযোগ। যদিও এই ঘটনায় কেউ আহত হয়নি।

বিজেপি যুবনেতা জয় সাহার অভিযোগ নির্বাচনে আর নিশ্চিত জেনে নির্মল ঘোষের নেতৃত্বে এই বোমাবাজি চালায় জনাকয়েক দুষ্কৃতি। অভিযোগ অস্বীকার করছে টিএমসি।

ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন পানিহাটি বিজেপির প্রার্থী সন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন পানিহাটিতে দুষ্কৃতী রাজ কায়েম রাখার জন্যই গুন্ডাবাহিনীকে কাজে লাগাচ্ছেন তৃণমূল প্রার্থী। পুলিশের উপস্থিতিতেই দুস্কৃতিকারীরা তাণ্ডব চালায় বলে অভিযোগ করেন সন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে পুলিশের উপর আস্থা রেখেই তিনি জানালেন এক ঘণ্টার মধ্যে দুষ্কৃতিকারীদের গ্রেফতার না করা হলে তারা বৃহত্তর আন্দোলনে যাবেন।
ওপর দিকে তৃণমূলের পাল্টা দাবি বিজেপি প্রার্থী নিজের হার নিশ্চিত দেখে পানিহাটি কে উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছে। বাইরে থেকে অর্জুন সিংয়ের লোক এনে শান্ত পানিহাটি কে অশান্ত করার চেষ্টা করছে আমরা ওই দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করে রাখছি প্রশাসন এর উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে।

আর শনিবার রাত থেকে উত্তপ্ত হয়েছিল মিনাখা বিধানসভার কুলটি গ্রাম পঞ্চায়েতের পুরনো কামারগাতী। জানা গিয়েছে, এলাকার । তৃণমূলের বুথ এজেন্ট আতিয়ার মোল্লা বাড়িতে যান মিনাখাঁর টিএমসি ব্লক সভাপতি মৃত্যুঞ্জয় মন্ডল ও নেতা অতনু সরদার। এর পরেই হামলার ঘটনা ঘটে।

পুরনো কামারগাতী এলাকায় তৃণমূল প্রার্থীর গাড়ি ভেবে দুষ্কৃতীরা বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি ও বোমা চালায়। সেখান থেকে কোনওরকম ভাবে ব্লক সভাপতি মৃত্যুঞ্জয় মন্ডল গাড়ি থেকে ঝাঁপ দিয়ে মেছো ভেরিতে পড়ে গিয়ে প্রাণ বাঁচান। পাশে থাকা অন্যান্য তৃণমূল নেতারা গাড়ি থেকে পালিয়ে যান। গাড়িটি ভাঙচুর করে দুষ্কৃতীরা। ঘটনার জেরে ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশবাহিনি ও কেন্দ্র বাহিনি এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। গাড়িটি উদ্ধার করে মিনাখা থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে ।

পাশাপাশি হিঙ্গলগঞ্জ বিধানসভার সেন্ডেল বিল গ্রাম পঞ্চায়েতের ভেটকি ১২৫ নম্বর বুথে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের বাড়ি বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা রবিবার সকালে বাড়ি ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ।যদিও বিজেপি নেতৃত্ব এই দুই ঘটনাকে অস্বীকার করে বলেছেন, এটা তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জের। পুলিশ তদন্ত করে দেখুক প্রকৃত দোষী কারা। তদন্তে উঠে আসবে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জের। পরিস্থিতি উত্তপ্ত। জেলার অন্যত্র থেকেও বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের খবর আসছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.