লন্ডন: রাত পোহালেই নির্বাচন হদ্দ বুড়ো ‘জন বুলে’র দেশে। যে রাজমুকুটের অধীনে এক সময় সূর্য অস্ত যেত না, তা এখন কার্যত নামেই তালপুকুর, আমেরিকার সহায়তা ছাড়া ঘটি ডোবে না৷ তবু সচ্ছল-ইংরেজিনবিশ ভারত তথা বাংলার কাছে বিলেত এবং ব্রিটিশ রাজকাহিনির এক অদ্ভুত মাদকতা আছে৷সেই বিলেতেই সাধারণ নির্বাচন৷১০ ডাউনিং স্ট্রিট থেকে বাক্সপ্যাঁটরা গুছিয়ে প্রধানমন্ত্রী ক্যামেরন বিদায় নেবেন কি না, সে ব্যাপারে ছয় কোটি দশ লক্ষ মানুষ জানাবে তাদের রায়। ঐতিহাসিকদের মতে, লন্ডন নাকি আদতে এক নেক্রোপলিস৷ সেই গোরস্থানের উপর কনজারভেটিভ পার্টি ফের ক্ষমতা দখল করবে, না কি উঠে আসবে লেবার পার্টি? বাস্তবিক, ২০০৫ সাল থেকে কনজারভেটিভ পার্টির কাণ্ডারির দায়িত্বে থাকা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের অগ্নিপরীক্ষা আগামীকাল বৃহস্পতিবার। গত এপ্রিলেই বিদেশে কর্মরত দশ লক্ষ ব্রিটিশ নাগরিকের ভোটাভুটির জন্য পোস্টাল ব্যালট পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। কাল ভোট দেবেন বাকি ছয় কোটি ব্রিটিশ নাগরিক। খাতায়কলমে যদিও মোট ৪৯৮টি দল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে৷ তবে ঘুরেফিরে লড়াই সেই কনজারভেটিভ এবং লেবার পার্টির মধ্যে৷শাসকদলের প্রতিপক্ষ কালকের নির্বাচনে উত্তীর্ণ হতে টার্গেট করেছে হাতগুনতি কয়েকটা ইস্যুকে। ব্রিটিশ অর্থনীতি, জীবনযাত্রার মান ও চাকরি ইস্যুটিই সব চাইতে বেশি মাথাব্যথার কারণ হচ্ছে ক্যামেরনের। তবে লেবার পার্টি ও কনজারভেটিভ পার্টি উভয়ের তরফেই পাখির চোখ করা হয়েছে অনাবাসী ভারতীয় ভোটকে। ২০১৫-র নির্বাচনে ব্রিটেনে বসবাসকারী ভারতীয়দের ভোটই পার্থক্য গড়ে দিতে পারবে বলে অনুমান করা হয়েছে বেশ কয়েকটি নির্বাচন সমীক্ষায়। যদিও ভারতীয় অনাবাসীদের বেশিরভাগের মধ্যে ডেভিড ক্যামেরন ও তাঁর দল কনজারভেটিভ পার্টির চাহিদা নাকি তুলনামূলকভাবে বেশি। যদিও ভোট দেওয়ার আগে ভারতীয় অনাবাসীদের একটা শর্ত রাখা উচিত ছিল, তাঁদের মূল্যবান রায়দানের বিনিময়ে রানি এলিজাবেথ তাঁর মুকুট থেকে কোহিনূর খুলে ভারতে ফেরত পাঠাবেন কি?

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।