কলকাতা: প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর রাজনীতিতে প্রবেশকে ফের কটাক্ষ বিজেপির৷ দিন কয়েক আগেই প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে সরাসরি রাজনীতির ময়দানে নামিয়েছে গান্ধী পরিবার। তাঁকে সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর প্রদেশের মতো রাজ্যের নির্বাচনের দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে। সরাসরি নরেন্দ্র মোদীর সামনে লড়াই করার জন্য দাঁড় করানো হয়েছে প্রিয়াঙ্কাকে।

তাঁকে ঘিরেই বিজেপি তুলেছিল চকোলেট নেতাদের ব্যবহার করার প্রসঙ্গ৷ এবার আরও একধাপ এগিয়ে বিহারের উপ মুখ্যমন্ত্রী ও বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা সুশীল মোদী সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার সঙ্গে তুলনা করলেন প্রিয়াঙ্কার রাজনীতিতে আসার ঘটনাকে৷ তাঁর মতে নির্বাচন কোনও সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা নয়, এই ময়দান কড়া টক্করের৷

আরও পড়ুন: ধর্মের নামে রাজনীতি, সবথেকে খারাপ সময়ের মুখে মানবজাতি: আমজাদ আলি খান

এর আগে অবশ্য নতুন ধুয়ো তুলেছিল বিজেপি৷ লিঙ্গ বৈষম্যসূচক এক মন্তব্য করেছিলেন বিজেপির এক নেতা৷ তিনি বলেছিলেন ‘‘প্রিয়াঙ্কা সুন্দরী, কিন্তু রাজনীতিতে তার কোনও কৃতিত্ব বা পারদর্শিতা নেই৷’’ এতে শুরু হয়েছিল বিতর্ক৷ এবার ফের সেই বিতর্ক উসকে দিয়েছেন বিজেপি নেতা সুশীল মোদী৷ তাঁর দাবি জনগণ অতীতের কাজ ও মানুষের কাছে নেতার গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা দেখে ভোট দেয়৷ সেখানে প্রিয়াঙ্কার ঝুলি শূণ্য৷ নির্বাচন কোনও কুস্তির লড়াই নয়, সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা নয়, যেখানে যে কেউ অংশ নিতে পারবে৷

এদিন মোদী প্রণব মুখোপাধ্যায়ের ভারত রত্ন পাওয়ার প্রসঙ্গও তুলে আনেন৷ তিনি বলেন কংগ্রেস কোনওদিনও প্রণব মুখোপাধ্যায়কে যোগ্য সম্মান দেয়নি৷ অথচ বিজেপি সেই সম্মান দিল তাঁকে৷ কংগ্রেস প্রণব বাবুর প্রধানমন্ত্রীর পদে বসার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল৷

আরও পড়ুন : মোদীর সভা: তৃণমূলের চালে পিছু হঠলেন বড়মার নাতি

বলাই বাহুল্য সুশীল মোদীর এই বাক্যবাণের পালটা দিয়েছে কংগ্রেসও৷ জানিয়েছে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর রাজনীতিতে প্রবেশের ফলে ভয় পেয়েছে বিজেপি৷ তাই এত সমালোচনা উঠছে৷ বিজেপি খুব ভালো করে জানে, রাজনীতির পাশা উলটাতে চলেছে ২০১৯ সালে৷ আর তার কাণ্ডারি হবেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী৷ তাই এত কথা বলে নিজেদের ভয় ঢাকতে চাইছে বিজেপি৷