শঙ্কর দাস, বালুরঘাট : দক্ষিণ দিনাজপুরের প্রতিটি বিধানসভা এলাকার এক প্রান্ত থেকের অপর প্রান্ত আঠারো হোক বা আশি সবাইকে ভোটদানে উৎসাহিত করতে পথে নামলেন খনাদাদু ও খনাদিদা।

আজ বালুরঘাটে জেলা প্রশাসনিক ভবনে খনাদাদু ও খনাদিদার ম্যাসকট উদ্বোধন করেন জেলা নির্বাচনী আধিকারিক নিখিল নির্মল। জেলা তথা বাংলার প্রাচীন লোকশিল্প খন নামক পালাগানের চরিত্র খনাদাদু ও খনাদিদাকে প্রচারে নামালো নির্বাচন কমিশন। জেলার প্রত্যন্ত এলাকাগুলির হাট বাজার ও গ্রামেগঞ্জে গিয়ে দাদু দিদার নেতৃত্বে শিল্পীরা খন গানের মাধ্যমে ভোটারদের ভোটদানে উৎসাহিত করে বেড়াবেন। “আঠারো হোক বা আশি, চলো ভোট দিয়ে আসি। বুথেই হউক বা পোস্টালে, গড়ব দেশ সবাই মিলে।”

এই গানের মাধ্যমে এদিন থেকে প্রচার শুরু করলেন খনাদাদু ও খনাদিদা। ভোটদানে উৎসাহিত করার পাশাপাশি আশির উর্দ্ধের বয়স্ক ও পিডব্লিউডি ভোটারদের জন্য পোস্টাল ব্যালোটে ভোটদান ব্যবস্থার কথাও তাঁরা প্রচার করবেন। দক্ষিণ দিনাজপুরের ছয়টি বিধান সভা কেন্দ্রে মোট ভোটারের সংখ্যা ১২ লক্ষ ৭৪ হাজার ৮৬৬ জন। যাঁদের মধ্যে আশি উর্দ্ধে রয়েছেন প্রায় ১৬ হাজার। ম্যাসকট দুইজন প্রবীণ এই ভোটারদেরও উৎসাহিত করার কাজ করবেন।

দক্ষিণ দিনাজপুর তথা বাংলার প্রাচীন লোকশিল্প গুলির অন্যতম হলো খন গান। গ্রামীণ ও মূলত রাজবংশী সম্প্রদায়ের অত্যন্ত জনপ্রিয় খন গানের ঐতিহ্য বহুদিনের। পশু পাখির সহ বিভিন্ন চরিত্রের মুখোশ পড়ে অভিনীত এই লোকশিল্প অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। ফেসবুক হোয়াটস্যাপ তথা ইন্টারনেটের এই যুগে যখন খনগান হারিয়ে হাওয়া লোকশিল্পের তালিকায় চলে গিয়েছে। তখন নির্বাচন কমিশন একুশের বিধানসভা নির্বাচনে খনগান ও শিল্পীদের দিয়ে প্রচারের উদ্যোগ নেওয়ায় খুশি লোকশিল্পীরা।

নির্বাচনী আধিকারিক নিখিল নির্মল জানিয়েছেন, খন দাদু খন দিদারা বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে আগামী ২৬ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বিধানসভা নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগে সকলকে উৎসাহিত করবেন। কোভিদ-বিধি’র কথা মাথায় রেখে আশির উপরে বয়স এমন ভোটাররাও যাতে পোস্টাল ব্যালোটের মাধ্যমে ভোট দেন সেব্যাপারেও তাঁরা প্রচার চালাবেন। করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে সবাই যেন মুখে মাস্ক পড়ে বুথে যান তারও প্রচার করবেন। যেহেতু দক্ষিণ দিনাজপুরের প্রাচীন লোকশিল্প খন গান। তাই এবারে এই লোকশিল্পের জনপ্রিয় দুই চরিত্র খনাদাদু ও খনাদিদার ম্যাসকটকে বেছে নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।