নয়াদিল্লি: ফের কমিশনের কোপে এবার সমাজবাদী পার্টি নেতা আজম খান৷ আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে আজম খানের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন৷

বুধবার সকাল ৬টা থেকে আগামী ৪৮ ঘন্টা নির্বাচনী কোনও প্রচার অভিযানে অংশ নিতে পারবেন না সমাজবাদী পার্টির রামপুরের প্রার্থী আজম খান৷

আরও পড়ুন: মোদীকে বিবেকানন্দ পড়ার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

একবার নয়, একাধিকবার প্রচার সভায় বিরোধী বিজেপি প্রার্থী সম্পর্কে কুরুচিকর মন্তব্য করেন আজম খান৷ তার পরিপ্রেক্ষিতে কমিশনে অভিযোগও দায়ের হয়৷ নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে নিষেধাজ্ঞামূলক পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে কমিশন৷

উত্তরপ্রদেশের রামপুর লোকসভায় এবার সম্মানরক্ষার লড়াই সপা ও বিজেপির৷ সাইকেল চিহ্নের আজম খানের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তাঁরই এক সময়ের প্রিয় পাত্রী জয়াপ্রদা৷ তবে শিবির বদলে তিনি এবার পদ্ম শিবিরে৷ এই অবস্থায় প্রচারে জয়ার বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে দেখা গিয়েছে অখিলেশের সৈন্যকে৷

চলতি মাসের ১৫ তারিখ জয়া সম্পর্কে অশ্লীল মন্তব্য করেন আজম খান৷ যা ‘খাঁকি আন্তর্বাস’ মন্তব্য নামে পরিচিত৷ যার প্রেক্ষিতে শুধু পুলিশই নয়, সক্রিয় হয়েছে জাতীয় মহিলা কমিশনও। চেয়ারপার্সন রেখা শর্মা জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনে চিঠি লিখে আজম খানের প্রার্থী পদ বাতিলের আর্জি জানান তাঁরা।

আরও পড়ুন: বিরোধী ভোট ভাগ হবে না বলেই আশাবাদী কানহাইয়াকুমার

অন্য দিকে চাপে পড়ে তখন নানা সাফাই দেন সমাজবাদী নেতা। বলছেন, তাঁর টার্গেট জয়াপ্রদা নন, অন্য এক আরএসএস কর্মী। অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রার্থীপদ প্রত্যাহারেরও আস্বাস দেন তিনি। ভুল ব্যাখ্যা করার অভিযোগে কাঠগড়ায় তোলেন সংবাদ মাধ্যমকে।

সেই সময় আজম খানের উপর ৭২ ঘন্টার জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়৷ কিন্তু শিক্ষা নেননি তিনি৷ ফের গত ২৫ এপ্রিল কুরুচিকর মন্তব্য করেন তিনি৷ তার প্রেক্ষিতেই এই কড়া সিদ্ধান্ত কমিশনের৷