নয়াদিল্লি: অভিযুক্তরা যাতে কোনওমতেই নির্বাচনে অংশ নিতে না পারে তা নিশ্চিত করুক আদালত। এই মর্মে এবার সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানাল নির্বাচন কমিশন। অভিযুক্তদের ভোটে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে এদেশে এখনও নিষেধাজ্ঞা নেই, এবার সেই নিয়মে বদল আনতে উদ্যোগী নির্বাচন কমিশন।

বিভিন্ন সময়ে একাধিক অপরাধে অভিযুক্তরা নির্বাচনে অংশ নেয়। ভোট বৈতরণী পেরিয়েই অনেকে নিজেদের ত্রুটিমুক্ত করতে চেষ্টা চালায়। সাম্প্রতিক অতীতে এমন ঘটনার ভুরি ভুরি নজির রয়েছে। এদেশে এখনও পর্যন্ত সেই সংক্রান্ত কোনও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়নি। আইনের এই ফাঁকের সুযোগ নিয়েই দিনের পর দিন রাজনৈতিক দলগুলির ছত্রছায়ায় থেকে ভোটে দাঁড়ায় অভিযুক্তরা।

সমাজের বিভিন্ন মহল থেকে খুন, ধর্ষণ-সহ একাধিক অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেও নির্দিষ্ট কোনও বিধিনিষেধ না থাকায় সহজেই ভোট প্রক্রিয়ায় অংশ নেয় অভিযুক্তরা। এমনকী তাদের হয়ে ভোট প্রচারেও দেখা যায় দেশের তাবড় রাজনীতিবিদদের। ভোটে জিতে বিধায়ক বা সাংসদ হওয়ার পরেও অনেক ক্ষেত্রে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা চলে।

একাধিক ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে ভোটে জিতে কোনও সাংবিধানিক পদ পেয়ে গেলেই অভিযোগ থেকে মুক্ত হতে সরকারি ক্ষমতা প্রয়োগ করে অভিযুক্তরা। এমনও নজির রয়েছে ভুরি ভুরি। সমাজের বিভিন্ন মহল থেকে আপত্তি উঠলেও সরকারি লাল ফিতের ফাঁস বারবার সেক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এমনকী প্রভাবশালীদের একাংশকেও সেই সময় অভিযুক্ত জনপ্রতিনিধিদের পাশে দাঁড়াতে দেখা যায়। এমনও অভিযোগ ওঠে প্রায়ই।

সব দিক মাথায় রেখেই এবার তৎপরতা শুরু করল নির্বাচন কমিশন। কোনও অপরাধে অভিযুক্ত হলেই ওই ব্যক্তি আর যাতে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে না পারে তা নিশ্চিত করতে এবার দেশের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে নির্বাচন কমিশন।

 

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ