বালুরঘাট : ভোটের প্রচারে এসে করোনা প্রতিরোধে মানুষকে সচেতনতার পাঠ দিলেন টিএমসি সাংসদ, অভিনেতা দেব। সোমবার বালুরঘাটের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শেখর দাশগুপ্তর সমর্থনে কামারপাড়ায় জনসভা করেন দীপক অধিকারী (দেব)।

সভায় উপস্থিত মানুষ যাঁরা মাস্ক পরেননি, আর কেউ পড়লেও তা নাক অথবা মুখ খোলা। তাঁদের উদ্দেশ্যে দেব বলেন করোনাকে প্রতিরোধ করে বেঁচে থাকলে তবেই ভোট দিতে পারবেন। সুতরাং মাস্ক অবশ্যই পড়ুন সকলে।

এদিন মমতা বন্দোপাধ্যের উন্নয়নের প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে উপস্থিত সাধারণের উদ্দেশ্যে দেব বলেন “কান দিয়ে শুনলে শুধুই অপপ্রচার শুনতে পাবেন। আর চোখ দিয়ে দেখলে শুধুই দিদির উন্নয়ন দেখতে পাবেন।” বালুরঘাটের কামারপাড়া হাঠখোলায় তৃনমুল প্রার্থী শেখর দাশগুপ্তর সমর্থনে জমকালো জনসভায় এভাবেই বিজেপিকে বিঁধে তৃণমুলের দশ বছরের রাজত্বে উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন।

দেব বলেন, যারা শুধু দিন রাত রাম রাম করে চলেছেন তাদেরকে ভোট দেবেন নাকি যিনি আপনাদের জন্য দিন রাত উন্নয়ন করে চলেছেন তাঁদের সমর্থন জানাবেন। তা আপনাদেরই সিদ্ধান্ত নিতে হবে বলেও জনতার।

দেব মঞ্চে দাঁড়িয়ে তার ভাষনে বার বার বলেন আমি এখানে রাজনীতি করতে আসিনি। আমি যা দেখেছি তাই বলতে এসেছি আপনাদের। এটুকু বুঝেছি যে দল আমার পরিবারকে দেখছে, আমার পাড়া প্রতিবেশীকে দেখছে, মানুষকে ভালবেসে আপনার পাশে থাকছে আমি সেই দলকেই ভোট দেবার কথা আপনাদের বলতে এসেছি। এবারের ভোটে বিজেপির তোলা ” সোনার বাংলা” শ্লোগানকে তুলোধোনা করে দেব বলেন ওরা সোনার বাংলা গড়ার কথা বলছে, বলছে ক্ষমতায় এলে পাকা ঘরবাড়ি করে দেবে, বেকারদের চাকরি দেবে।

এরপরেই তিনি বিজেপির এবারের ভোটে দেওয়া এসব প্রতিশ্রুতিকে মিথ্যে বলে বলেন যারা ২০১৪ সালে প্রত্যেক বছর দেশের এক কোটি যুবককে চাকরি দেবে বলেছিল, তারা কি তার প্রতিশ্রুতি রেখেছিল। আপনাদের কি মনে আছে আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গুজরাট সফরের সময় নরেন্দ্র মোদীর রাজ্য গুজরাটে দারিদ্র ভরা মানুষের বস্তি কে আড়াল করতে রাস্তার দুই পাশে প্রাচীর তুলেছিল কারা ?

পাশাপাশি দেব রাজ্যের দশ বছরে তৃনমুল শসনের খাদ্যসাথী থেকে স্বাস্থ্যসাথী, কন্যাশ্রী রুপশ্রী, যুবশ্রীর কথা তুলে ধরে বলেন যিনি সকাল থেকে আপনাদের বাচ্চা থেকে ঘরের মা বোন ভাইদের কথা ভেবে বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন না তাকেই চাইবেন। দেব বলেন কান দিয়ে অপপ্রচার শুনে যাবেন আর চোখ দিয়ে উন্নয়ন দেখে তবেই ভোট দেবেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.