সুরাত:  চলছিল বিয়ের প্রস্তুতি। সবকিছুই ঠিক ছিল। হঠাত করেই হৈচৈ। গেল গেল রব। ছোটাছুটি। এরপর সব চুপ। জানা গেল, হবু শাশুড়িকে নিয়ে চম্পট দিয়েছেন বরের বাবা। সুরাতের এই ঘটনা রীতিমত চমকে দিয়েছে গোটা দেশের মানুষকে। সবারই একটাই প্রশ্ন, এমনটাও সম্ভব!!! হ্যাঁ, এমনটাই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় স্তম্ভিত দুই বাড়ির লোকজন।

গত একবছর আগে এনগেজমেন্ট সেরে ফেলেছিলেন ওই যুবক-যুবতী। আনুষ্ঠানিক বিয়ের প্রস্তুতি চলছিল। মেয়ে এবং ছেলের বাড়িতে চলছিল যাতায়াত। কিন্তু হঠাত করেই অঘটন! বিয়ের ঠিক আগে হঠাত করেই বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে যান কাটারগ্রামের ৪৮ বছর বয়েসি ওই ব্যবসায়ী। অর্থাৎ ছেলের বাবা। রহস্যময় ভাবে একই দিনে গায়েব হয়ে যান কনের মাও। যিনি নভসারির বাসিন্দা। প্রৌঢ় যুগলের রাতারাতি অন্তর্ধানে দুই পরিবারেই তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

এভাবে যে বর এবং কনের বাবা-মা এক সঙ্গে কোথাও যে পালিয়ে যেতে পারেন তা ভাবতেও পারেননি! দুই পরিবারই নিখোঁজ ডায়েরি করে স্থানীয় থানায়। তদন্তে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যায়, বরের বাবা এবং কনের মা দুজনেই একসঙ্গে পালিয়েছে। আর তা শুনে রীতিমত চমকে ওঠেন দুই পরিবারের সদস্যরা।

স্থানীয়দের দাবি, আমরেলিতে থাকার সময় যৌবনে দুজনের মধ্যে গভীর সখ্যতা ছিল। শোনা যায়, সেই সময় তাঁরা পরস্পরের প্রেমেও পড়েন এবং দীর্ঘ দিন সেই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখেন। এর পর বাড়ির চাপাচাপিতে অন্য পুরুষকে বিয়ে করে নভসারিতে পাকাপাকি থাকতে শুরু করেন মহিলা। পরবর্তীকালে অন্য এক জনকে বিয়ে করেন ওই ব্যবসায়ী। বহু কাল পরে ছেলেমেয়েদের বিয়ে উপলক্ষে দুই পরিবারের মধ্যে যোগাযোগ হলে আবার দেখা হয়ে যায় দুই প্রাক্তন প্রেমিক-প্রেমিকার। জেগে ওঠে পুরনো আবেগ। আর সেই আবেগ থেকে নতুন করে সংসার পাতার চিন্তাভাবনা…দুজনের।

তবে বিষয়টি নিয়ে যথেষ্ট চিন্তার ভাঁজ পড়েছে দুই পরিবারে। বিশেষ করে বর এবং কনের মধ্যে। আগামিদিনে কি হবে তা নিয়েই যথেষ্ট চিন্তার ভাঁজ তাঁদের কপালে।