লখনউ: দলের বর্ষীয়ান নেতাদের একমাত্র বিজেপিতেই উপযুক্ত সম্মান দেওয়া হয়। তাই কংগ্রেস বা অন্য কোনও বিরোধী দলের কাছ থেকে এই বিষয়ে কোন পরামর্শ দেওয়া মানায় না। সোমবার আদবানি ইস্যুতে এমন মন্তব্য করেন উত্তরপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী দীনেশ শর্মা।

এবারের লোকসভা ভোটে লালকৃষ্ণ আদবানি, মুরলীমনোহর যোশি, সুমিত্রা মহাজনদের মতো দলের বর্ষীয়ান সদস্যদের নির্বাচনে প্রার্থী করেনি বিজেপি৷ আর এমন সিদ্ধান্তের পিছনে মোদী-অমিত শাহের নেতিবাচক ভূমিকা রয়েছে বলে অভিযোগের আঙুল উঠেছে ৷ এই ঘটনার পর কংগ্রেস সহ বিরোধী দলগুলি মোদী- অমিত শাহের সমালোচনায় মুখর হয়েছে৷ অভিযোগ উঠেছে মোদী-শাহের নেতৃত্বাধীন বিজেপি-তে বর্ষীয়ান নেতাদের কোনও সম্মান নেই ৷

পড়ুন: স্ত্রীর ‘পাপে’ প্রত্যন্ত গ্রামে বদলি রাশিয়ার যাজককে

তারই প্রেক্ষিতে এবার জবাব দিতে এগিয়ে এসেছেন দীনেশ শর্মা৷ এই বিজেপি নেতা মনে করিয়ে দিয়েছেন কংগ্রেসে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা পিভি নরসিমা রাও অথবা মনমোহন সিং-এর মতো নেতাদেরও যথাযথ সম্মান দেয়নি৷ কারণ হিসেবে তিনি তুলে ধরেন, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা পি ভি নরসিমা রাওয়ের প্রয়াণের পর তাঁকে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

আবার আবার সংসদে মনমোহন সিং সরকারের পাশ করা আইনের কপি ছিঁড়ে ফেলেছিলেন কংগ্রেসের এক শীর্ষ পদাধিকারী ( নাম না করে ইঙ্গিত করেন রাহুল গান্ধীকে)৷ তাছাড়া কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি সীতারাম কেশরীকে জীবনের শেষ দিকটা ছিল অত্যন্ত মর্মান্তিক ৷কংগ্রেসেই তো দলের বর্ষীয়ান সদস্যদের একঘরে করার সংস্কৃতি চালু আছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

পড়ুন: মহম্মদ আশরফ ভাটকে লক্ষ্য করে গ্রেনেড হামলা জঙ্গিদের

মহারাষ্ট্রের সিনিয়র নেতা সুধীর মুনগানতিয়াকে একই সুরে কথা বলেছেন৷ তিনি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন,মোদি এবং আদবানি আলোচনার মাধ্যমে সহমত হয়েছেন- কারও বয়স ৭৫ হলে তিনি আর ভোটে লড়বেন না। ৭৫ বছরের পর শরীর আর বেশি ধকল নিতে পারে না। তাই তখন সক্রিয় রাজনীতিতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। বরং তাঁদের অভিজ্ঞতা দেশ গঠনের কাজে লাগান হবে।