স্যান সালভাদোর: ২২ বছরের ক্যাথেরিন ডায়াজ। সাগরের ঢেউয়ের সঙ্গে ছিল তাঁর অদ্ভুত অন্তরঙ্গতা। টোকিও অলিম্পিকেই প্রথম ছাড়পত্র পেয়েছে সার্ফিং। এল সালভাদোরের তারকা সার্ফার ক্যাথেরিন ইদানিং তাই বেশিরভাগ সময়টা কাটাচ্ছিলেন সমুদ্রেই। সামনেই ছিল টোকিওর যোগ্যতা অর্জন পর্ব। আর ক্যাথেরিনের উপর তাঁর দেশের পদকের প্রত্যাশা ছিলো ভালোমতোই। কিন্তু শুক্রবার সমুদ্রে অনুশীলনের মাঝেই বজ্রাঘাতে মর্মান্তিক মৃত্যু হল ক্যাথেরিনের।

পদক প্রত্যাশা, অলিম্পিক সবকিছু ছেড়ে এল সালভাদোরের সার্ফার পাড়ি দিলেন না ফেরার দেশে। সালভাদোর সার্ফিং ফেডারেশনের তরফ থেকে সিএনএন’কে জানানো হয়েছে, ‘এল সালভাদোরের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে এল তুঞ্চো বিচে বজ্রাঘাতের কারণে মৃত্যু হয়েছে ক্যাথেরিন ডায়াজের।’ সার্ফিং’য়ের প্রতি অনেক অল্প বয়স থেকেই আগ্রহ ছিল ক্যাথেরিনের। আর সেই আগ্রহই ওকে পৌঁছে দিয়েছিল অলিম্পিক যোগ্যতা অর্জনের দোরগোড়ায়। ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থে’ যোগ্যতা অর্জনের জন্য নিজেকে দুর্দান্ত মোটিভেট করছিলেন ক্যাথেরিন। জানিয়েছে সালভাদোর সার্ফার ফেডারেশন।

মঙ্গলবারই তাঁর সম্মানার্থে একটি শ্রদ্ধানুষ্ঠান আয়োজন করবে FESASURF। এল সালভাদোরের জাতীয় ইনস্টিটিউট অফ স্পোর্টস এক শোকবার্তায় জানিয়েছে, ‘আমরা তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি এবং তাঁর পরিবারের প্রতি আমাদের সমবেদনা রইল।’ ডায়াজের কাকা দুর্ঘটনার মুহূর্তে তাঁর সঙ্গে জলেই ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এছাড়া এল তুঞ্চো বিচে হাজির ছিল ডায়াজের এক বন্ধুও। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে কাক বেতো ডায়াজ জানিয়েছেন, ‘ক্যাথেরিন জল ছেড়ে একবার ডাঙায় উঠেছিল তাঁর বন্ধুকে আলিঙ্গন করতে। আর তারপরেই সাঙ্ঘাতিক আওয়াজ কানে আসে আমার। ওর বন্ধুও বজ্রাঘাতে অনেকটা দূর ছিটকে গিয়েছিল। কিন্তু ক্যাথেরিন সঙ্গে সঙ্গেই প্রাণ হারায়।’

আন্তর্জাতিক সার্ফিং অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত টোকিও অলিম্পিকের চূড়ান্ত যোগ্যতা অর্জন পর্ব অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৯ মে থেকে ৬ জুন। লা বোকানা এবং এল সুঞ্জাল বিচে থেকেই টোকিওর টিকিট পাবেন সার্ফাররা। ক্যাথেরিনও প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন সেজন্যই। আন্তর্জাতিক সার্ফিং অ্যাসোসিয়েশনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ‘ক্যাথেরিনের শরীরী ভাষায় সবসময় আনন্দ এবং এনার্জি মিশে থাকত। এই স্পোর্টসের গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর হিসেবে ও সার্ফিংকে আমাদের কাছে খুব প্রিয় করে তুলেছিল।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.