ঢাকা: বিশ্বে বসবাসযোগ্য শহরের তালিকায় ‘অযোগ্য শহর’ হিসেবে চতুর্থ স্থান পেল বাংলাদেশের (Bangladesh) রাজধানী। ইকোনমিস্ট ইনটেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ) তাদের সাম্প্রতিক প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। তালিকার শীর্ষে অর্থায়ন এই মুহূর্তে সবথেকে অযোগ্য শহর সিরিয়ার রাজধানী দামাস্কাস।

বসবাসযোগ্যতা ও নাগরিক সুবিধা বিচার করে ইআইইউ (EIU) যে ১৪০টি শহরের তালিকা দিয়েছে, তাতে ঢাকার স্থান ১৩৭তম। আর ১৪০ তম স্থানটি গৃহযুদ্ধ ও সন্ত্রাসবাদে রক্তাক্ত দামাস্কাস।

ইআইইউ(EIU) বিভিন্ন বিষয়ে তুলনামূলক পরিসংখ্যান প্রকাশ করে। তাদের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বিভিন্ন দেশর প্রধান নগরগুলির অবস্থান কেমন তা উঠে এসেছে। বুধবার বসবাসযোগ্যতার নিরিখে শহরগুলির তালিকা দেওয়া হয়। এই তালিকায় ঢাকার (Dhaka) থেকে ভালো অবস্থানে পাকিস্তানের বাণিজ্য নগরী করাচি (Karachi)। অযোগ্য শহরের তালিকায় করার তার স্থান বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার থেকে তিন ধাপ ভালো।

স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্য পরিষেবার , সংস্কৃতি ও পরিবেশ, শিক্ষা এবং পরিকাঠামো এই ৫টি বিভাগকে ভিত্তি করে প্রতিবছর বিশ্বের ১৪০টি প্রধান শহরের ওপর জরিপ চালায় ইআইইউ। ১৩৯তম অবস্থানে রয়েছে নাইজেরিয়ার রাজধানী লাগোস। ১৩৮তম অবস্থানে পাপুয়া নিউগিনির রাজধানী পোর্ট মর্সবি। ১৩৬তম অবস্থানে আলজেরিয়ার আলজিয়ার্স এবং ১৩৫তম অবস্থানে আছে লিবিয়ার রাজধানী শহর ত্রিপোলি।

ইআইইউ জানাচ্ছে, করোনা মহামারি ও বিভিন্ন দেশে লকডাউন জারি থাকায় জরিপের জন্য পূর্ণাঙ্গ তথ্য গতবছর সংগ্রহ করা যায়নি। তাই ২০২০ সালে প্রতিবেদনও প্রকাশ করা হয়নি। চলতি বছর ফের করোনা সংক্রমণ হয়েছে বিভিন্ন দেশে। এর মাঝেই তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

এই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বসবাসের নিরিখে সবথেকে ভালো শহর হলো নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে জাপানের ওসাকা। তৃতীয় অবস্থানে অস্ট্রেলিয়ার এডিলেড। তালিকা থেকেই স্পষ্ট, যে সব দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন দ্রুত সেই দেশগুলির নগরজীবন ভালো। ইআইইউ প্রতিবেদন অনুসারে, বসবাসযোগ্য শীর্ষ ১০টি শহরের মধ্যে নিউজিল্যান্ডের ২টি, জাপানের ২টি, অস্ট্রেলিয়ার ৪টি ও সুইজাল্যান্ডের ২টি।

বসবাসের যোগ্যতার দিক থেকে শহরগুলোর মোট পাঁচটি বিষয়কে সূচকে আমলে নেওয়া হয়। এর জন্য মোট ১০০ নম্বর ঠিক করা হয়। এর মধ্যে ঢাকা পেয়েছে ৩৩.৫ নম্বর। ২০১৯ সালের তালিকা অনুসারে বিশ্বে বসবাসের অযোগ্য শহরগুলোর তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে ছিল ঢাকা। সেই হিসেবে অনুসারে এক ধাপ উঠেছে ঢাকা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.