স্টাফ রিপোর্টার, বহরমপুর: দেশ থেকে করোনার ৬৪ শতাংশ ভ্যাকসিন বিদেশে পাঠিয়েছেন। এখন তো মরে গেলেও ওষুধ পাব না আমরা। মুর্শিদাবাদের ভোট প্রচার থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে তোপ দাগলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷

আরও পড়ুন: অনেক প্রচার হয়েছে, এবার মানুষকে বিচার করতে দিন: হাইকোর্ট

সোমবার দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে একটি বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিন বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, দেশি ও বিদেশি সংস্থাকেও ভ্যাকসিন উৎপাদনে অংশ নিতে উৎসাহ দেওয়া হবে। মোট উৎপাদিত ভ্যাকসিনের ৫০ শতাংশ সরবরাহ করতে হবে সরকারকে৷ বাকি পঞ্চাশ শতাংশ বিক্রি হবে খোলা বাজারে৷ বেসরকারি চিকিৎসা কেন্দ্র বা হাসপাতালগুলি ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য কত খরচ ধার্য করছে, তা সরকারকে জানিয়ে দিতে হবে৷ প্রয়োজনে হস্তক্ষেপও করবে সরকার৷ সংক্রমণের হার ও টিকাকরণের হার বিচার করে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে টিকা সরবরাহ করবে কেন্দ্রীয় সরকার। নরেন্দ্র মোদীর সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে মঙ্গলবার  নির্বাচনী প্রচার থেকে সুর চড়ালেন তৃণমূল নেত্রী৷ এদিন ১৫ মিনিটের মধ্যে নিজের সভা শেষ করেন তিনি। নিজের সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে কেন্দ্রকে তীব্র আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পালটা প্রশ্ন, “এত মানুষ আক্রান্ত হতে শুরু করার পর কেন্দ্র বলছে খোলাবাজারের করোনার টিকা মিলবে। কিন্তু মিলবে কী করে? এত ভ্যাকসিন কোথায়?”

আরও পড়ুন: করোনা আক্রান্ত মুখ্য নির্বাচন কমিশনার-সহ দুই শীর্ষ আধিকারিক

এদিনই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। বাড়ি থেকেই বাংলার নির্বাচন প্রক্রিয়া পরিচালনা করবেন তাঁরা। তা নিয়েও এদিন কটাক্ষ করলেন মমতা। বললেন, “আজ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। বাড়ি থেকে বসে ওঁরা কাজ করবেন। বাড়ি থেকে কাজ মানে তো বুঝতেই পারছেন। সবটাই বিজেপি করে দেবে। এটা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই।”

এদিকে, এদিন ফের একসঙ্গে দু’দফার ভোটের দাবি জানিয়েছে তৃণমূলের। মঙ্গলবার কলকাতায় নির্বাচন কমিশনের দফতরে যায় তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। করোনা পরিস্থিতিতে রাজ্যে সপ্তম ও অষ্টম দফার নির্বাচন একসঙ্গে করার দাবি জানিয়েছে রাজ্যের শাসকদল। এব্যাপারে নির্বাচন কমিশনারকে লিখিত দাবিপত্র দিয়েছে তৃণমূল। দলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনের নেতৃত্বে এদিন CEO দফতরে গিয়েছিলেন তৃণমূলের প্রতিনিধিরা। প্রতিনিধি দলে ছিলেন দোলা সেন, প্রতিমা মণ্ডলরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.