ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষে এখনও উত্তপ্ত পঞ্চসায়র থানা এলাকা৷ এই ঘটনায় উভয়পক্ষের মোট আটজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ৷ বিজেপির সদস্যপদ সংগ্রহ অভিযানকে কেন্দ্র করে রবিবার গড়িয়ার পঞ্চসায়রের শহিদ স্মৃতি কলোনিতে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়৷ সেই সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী আহত হয়েছেন।

গত কয়েকদিন ধরে এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের বচসা চলছিল৷ বিজেপির অভিযোগ, রবিবার সকালে যখন সদস্য সংগ্রহ অভিযান চলছিল তখন আচমকাই তাদের উপর চড়াও হয় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। ব্যাপক মারধর করা হয় বিজেপি কর্মীদের। বিজেপি সমর্থক এক গৃহবধূর অভিযোগ, চুলের মুঠি ধরে তাঁকে মাটিতে ফেলে দেয় দুষ্কৃতীরা। বাড়ির পুরুষদের খোঁজ করে না পেলে তাঁদেরকে শাসানো হয়। বিজেপি সমর্থক এক কেবল মালিকের বাড়ি, অফিস ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। সামগ্রিক ঘটনায় পুলিশ প্রশাসন নিষ্ক্রিয় বলে অভিযোগে সরব আক্রান্তরা। তাঁদের দাবি পুলিশের সামনেই ঘটে গোটা ঘটনাটি।

যদিও হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। পাল্টা বিজেপির বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ এনেছে শাসকদল। অভিযোগ, সদস্য সংগ্রহ অভিযানের নামে দল বেঁধে এলাকায় ঢোকে বিজেপি কর্মীরা। তারপর বাড়ি বাড়ি গিয়ে হামলা চালায়। দুই দলের সংঘর্ষে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ালে ঘটনাস্থানে যায় পঞ্চসায়র থানার পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে না পারায় পরে ঘটনাস্থলে যায় লালবাজার থানার পুলিশ।

পঞ্চসায়র থানার পুলিশ জানিয়েছে, রবিবার রাতে দুপক্ষের মোট আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে৷ সোমবার তাদের আদালতে তোলার কথা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।