নয়াদিল্লি: খুশির ঈদে খুশি বিতরণ করলেন সীমান্ত পারের জওয়ানরা৷ পাকিস্তান ও বাংলাদেশের জওয়ানদের হাতে ভারতের পক্ষ থেকে তুলে দেওয়া হয় মিষ্টি৷ বর্ডার সিকিওরিটি ফোর্স বা বিএসএফের পক্ষ থেকে এই মিষ্টি বিতরণ করা হয়৷ বুধবার সকালে সেই সম্প্রীতির ছবিই ধরা পড়ল বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে৷

আটারি ওয়াগাহ বর্ডারে পাকিস্তানি রেঞ্জার্সদের হাতে মিষ্টি তুলে দেন বিএসএফ জওয়ানরা৷ ঈদের সকালে একে অপরকে শুভেচ্ছা জানান তাঁরা৷ গোটা বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ পালন করছে খুশির ঈদ৷ ৩০ দিনের রোজা শেষে এই উৎসবে সামিল হয়েছেন সব ধর্মের মানুষ৷ খুশির ঈদের রেশ আছড়ে পড়েছে সীমান্তেও৷ জওয়ানরাও সেই আনন্দে সামিল৷

ভারত পাকিস্তান সীমান্ত ছাড়াও, খুশির ঈদ পালন করতে দেখা গেল ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের জওয়ানদের৷ সেখানেও বিজিবির জওয়ানদের হাতে মিষ্টির প্যাকেট তুলে দেন বিএসএফ জওয়ানরা৷ তবে শুধু ঈদ নয়, দিওয়ালি ও হোলিতেও মিষ্টি আদানপ্রদান হয় সীমান্তে প্রহরারত জওয়ানদের মধ্যে৷

ঈদের দিন ভোরে মুসলমানরা প্রার্থনা করেন। সাধারণত, ঈদের নামাজের পরে মুসলমানরা সমবেতভাবে একে অন্যের সঙ্গে কোলাকুলি করে ঈদের সম্ভাষণ বিনিময় করে থাকে। ঈদের বিশেষ শুভেচ্ছা হিসেবে বলা হয়, “ঈদ মুবারাক”।

মঙ্গলবারই দেখা মেলে চাঁদের। ৫ জুন, বুধবার ভারতে পালিত হবে ঈদ, গতকালই জানিয়ে দিয়েছিল কলকাতার নাখোদা মসজিদ৷ চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে, কবে হবে ঈদ। আর মঙ্গলবারই চাঁদ দেখে জানিয়ে দেওয়া হয় যে বুধবারেই ঈদ পালিত হবে।

তবে সৌদি আরবে মঙ্গলবারই পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উদযাপিত হয়েছে। সৌদি আরবে সুপ্রিম কোর্ট সোমবারই এই ঘোষণা করে দিয়েছিল। সৌদি আরবের বিভিন্ন জায়গায় সোমবারেই পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়। সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, কুয়েতসহ উপসাগরীয় দেশগুলোতেও মঙ্গলবার এই খুশির ঈদ পালিত হয়েছে। এই চাঁদকে শাওয়াল মাসের চাঁদ বলা হয়। সেই চাঁদ দেখার জন্য অগণিত মুসলিম আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকেন।

গত এক মাস ধরে চলছিল রমজান। রোজ রাখছিলেন মুসলিমরা। সঙ্গে চলছিল প্রার্থনা। এ বছর গত ৭ মে থেকে রমজান মাস শুরু হয়েছিল। ৪ জুন সেটা শেষ হল। ইতিমধ্যেই ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তবে ভারতে চাঁদের দেখা মিললেও এখনও অপেক্ষায় বাংলাদেশ। সেখানে এখনও চাঁদ দেখা যায়নি। চাঁদ দেখা কমিটি বৈঠক করে জানিয়েছে চাঁদ এখনও স্পষ্টভাবে দেখা না যাওয়ায় সেখানে ঈদের দিনও স্থির করা হয়নি।