ঢাকা: প্রথমদিকে একটু হলেও স্বস্তি মিলছিল৷ মোটামুটি ঠিকঠাক করেই এগোচ্ছিল বাড়ি ফিরতে চাওয়া ভিড়৷ সময় এগিয়েছে যত, ততই বাড়ছে বিভ্রান্তি-ভোগান্তি৷ গরমের ঘামতে ঘামতে লক্ষ লক্ষ বাংলাদেশবাসী মহানগরের কর্মব্যস্ত জীবন ছেড়ে কদিনে ছুটিতে পরিবারের সবার সঙ্গে দেখা করতে বাড়ির টানা ছুটছেন৷ ট্রেন-বাস-ফেরিতে বাদুড়ঝোলা পরিস্থিতি৷ হচ্ছে দুর্ঘটনাও৷ ভিন্ন ভিন্ন পথ দুর্ঘটনায় এখনো পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ৩০ পার করল৷ প্রাণ হাতে করে ট্রেনের ছাদ থেকে চাকার সামনে ঝুলতে ঝুলতে যাচ্ছেন বহুজন

বাংলাদেশের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আগেই জানিয়েছেন-এবারের ঈদ যাত্রা হচ্ছে ইতিহাসের সবচেয়ে স্বস্তিদায়ক ঈদ যাত্রা। কোনও যানজট কিংবা ভোগান্তি নেই। ঈদ যাত্রায় ও ঈদ ঘিরে সার্বিক নিরাপত্তায় আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক আছি, থাকব৷ তবে তাঁর দাবি যে বাস্তবে তেমন মিলছে না, তার প্রমাণ মিলতে শুরু করেছে দেশের বিভিন্ন অংশ থেকে আসা যাত্রীদের দুর্ভোগের ছবি থেকে৷

মঙ্গলবার বিকেলের পর থেকে এই ছবি আরও ভয়াবহ হবে বলেই আশঙ্কা৷ মঙ্গলবার সকাল থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব মহাসড়কে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে গাড়ির দীর্ঘ সারির কারণে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারী যাত্রী ও চালকরা।

ঢাকা থেকে দেশের সর্বত্র ট্রেন, বাস, ফেরি সার্ভিসে ঘরমুখো মানুষ৷ ফলে ঢাকার সেই বহু চর্চিত যানজট আলাদিনের ছোঁয়ায় যেন উবে গিয়েছে৷ বড় সড়ক, গুরুত্বপূর্ণ মোড়, ব্যস্ততম বাজার সংলগ্ন কোনও রাস্তাতেই তেমন ভিড় নেই৷ ঘরে ফিরতে কয়েকদিন আগেই রাজধানী ছাড়ার পর্ব শুরু হয়েছে৷ একইভাবে চট্টগ্রাম, সিলেট, রংপুর, খুলনা, বরিশালের সদর শহরগুলি থেকেও ভিড়ে ঠাসা যাত্রীদের ছবি৷