কায়রো: মিশরের সুয়েজ খালে মালবাহী জাহাজ আটকে যাওয়ার ফলে প্রায় এক সপ্তাহ ভাঁটা পড়েছিল ব্যবসা বাণিজ্য। ইউরোপ ও এশিয়ার বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ। এক সপ্তাহ তা বন্ধ থাকায় ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল। এবার সেই জাহাজ মিশর কর্তৃপক্ষের নিয়মে ফাঁসল। ওই জাহাজটিকে বাজেয়াপ্ত করেছে মিশর সরকার। মঙ্গলবার জানানো হয়েছে জাহাজের মালিককে ৯০ কোটি ডলার দিতে হবে। তবেই জাহাজটিকে ছাড়বে তারা।

২৩ মার্চ সুয়েজ খালে আটকে যায় পণ্যবাহী জাহাজ এম ভি এভার গিভেন। ৬ দিন ক্রমাগত চেষ্টার পর সেটি ফের চালু হয়। মিশর কর্তৃপক্ষ ও আন্তর্জাতিক একাধিক সংস্থার চেষ্টার ফলে এভার গ্রিনকে নড়ানো সম্ভব হয়। গোটা ঘটনায় আন্তর্জাতিক ব্যবসা তো বটেই, মিশরও ক্ষতির সম্মুখীন হয়। আর সেই কারণেই তারা ক্ষতিপূরণ চেয়েছে বলে খবর। সুয়েজ খাল কর্তৃপক্ষের প্রধান ওসামা রাবি জানিয়েছেন, এভার গ্রিনকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। রাবি জাপানি মালিক শোয়েই কিসেন কাইশার কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেননি। কিন্তু অন্য সূত্র থেকে জানা গিয়েছে যে বীমা সংস্থা এবং খাল কর্তৃপক্ষের মধ্যে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছিল।

মহামারীর কারণে বহুদিন বন্ধ ছিল ব্যবসা বাণিজ্য। তা মাসখানেক আগে চালু হয়েছে। এই সময় এভার গিভেন আটকে যাওয়ায় এমন একটি সমস্যায় ফের বড়সড় ক্ষতির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। এই খালটি দিয়ে গোটা বিশ্বের বাণিজ্যের প্রায় ১২ শতাংশ হয়ে থাকে। তাই সুয়েজ খাল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর অনেকেই আফ্রিকার দক্ষিণ অঞ্চলের দিকে দীর্ঘ এবং ব্যয়বহুল জলপথ বাণিজ্যের জন্য বেছে নেয়। জাহাজটির দৈর্ঘ্য় প্রায় ৪০০ মিটার। সুয়েজ খালের তলদেশে আটকে যায় জাহাজটি। ফলে দুদিক থেকেই যাতায়াত বন্ধ হয়ে যায়। অবশেষে এক সপ্তাহ পর ১০টি ট্যাগবোটের সাহায্যে এভার গিভেনকে বাঁধনমুক্ত করা হয়। ড্রেজারের সাহায্যে একে ফের জলে ভাসানো হয়। এর জন্য প্রায় ২৭ হাজার কিউবিক মিটার ও ১৮ মিটার বালি খুঁড়তে হয়। মিশরের তরফে এও বলা হয়েছিল যদি মঙ্গলবারের মধ্যে জাহাজ কোনওভাবেই সরানো না যায় তবে পণ্য খালাস করতে শুরু করা হবে। তবে তার প্রয়োজন পড়েনি। জাহাজের সামনের অংশ কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটনায় এতদিন পর মিশর সরকার ক্ষতিপূরণ দাবি করল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.