শুধু শীতকাল নয়, অনেকের ধাত থাকে সারাবছর পা ফাটার। শুষ্ক হয়ে যায় ত্বক। তাই চামড়া খসখসে হতে থাকে। এমনকি ফেটে রক্তও বের হয় অনেকের। ক্ষতস্থানে ধুলাবালি ময়লা ঢুকে ইনফেকশনের সম্ভাবনা থাকে। ফলে পা ব্যথার সমস্যাও হয়। হাতে পায়ে আমরা নিয়ম করে যত্ন নিতে ভুলে যাই। কিন্তু সপ্তাহান্তে শুধু একবার সময় দিন নিজেকে।

১. পা ফাটা দূর করতে স্ক্রাব খুবই কার্যকর। পা শুধু আবহাওয়ার জন্য নয়, শরীরে ভিটামিন, মিনারেল, জিঙ্ক, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ইত্যাদি পুষ্টির অভাবের কারণেও ফাটতে পারে। এই স্ক্রাব আপনার পায়ের ও তার তলার যাবতীয় ময়লা দূর করতেও সক্ষম। তাই সঠিক স্ক্রাব বাছাও জরুরি। স্কিন অনুযায়ী আজকাল অনেক স্ক্রাব আপনি পাবেন বাজারে। তাই চোখের সামনে থেকে দেখে তার গুণগত মান বুঝে নিতে গেলে অবশ্যই দেখুন অনলাইনের বিপুল সম্ভার। আপনার জন্যে রইলো স্ক্রাবটির এই বিশেষ লিংক। এটা আপনি সারাবছর ব্যবহার করতে পারেন। স্ক্রাব হয়ে গেলে পা পরিষ্কারের পর অবশ্যই ভালোভাবে ময়েশ্চারাইজ করে নেবেন।

২. রাতে ঘুমানোর আগে ভালোভাবে পা ধুয়ে পরিষ্কার করে নেবেন। তারপর ম্যাসাজ ক্রিম লাগিয়ে মোটা মোজা পরে শুয়ে পড়ুন। সকালে উঠে দেখবেন পা নরম রয়েছে। তবে খোলা পায়ে হাঁটাহাঁটি না করাই ভালো।

৩. একটি খুবই পাকা কলা ভালোভাবে চটকে পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। এবার পেস্ট করা পাকা কলাটি পায়ের ফাটা অংশে ভালো করে লাগিয়ে নিন। ২০ মিনিট অপেক্ষা করে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন হালকা গরম জল দিয়ে।

৪. গরম জলে একটি গোটা লেবুর রস মিশিয়ে পা ২০ মিনিট তাতে ভিজিয়ে রাখুন। এরপর একটি লোফা নিয়ে হালকাভাবে পা ঘষতে থাকুন। নিজেই দেখবেন যে এতে পায়ের মৃত কোষগুলো ময়লাও উঠতে থাকবে।

৫. খাবারের তালিকায় আপনাকে ডায়েট মেনে রোজ রাখতে হবে ভেজিটেবল অয়েল, সবুজ শাকসবজি, অপরিশোধিত আটার রুটি এবং সিরিয়াল, ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার যেমন দুধ, পনির।

৬. গ্লিসারিন এবং গোলাপ জল মিশিয়ে পায়ে মালিশ করতেও পারেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.