কলকাতা: ব্রিগেডমুখী হচ্ছে রাজ্য, অর্থাৎ তৃণমূল ও বিজেপি বিরোধী শিবিরের সমর্থকরা। শনিবার রাত থেকেই সমর্থকদের ভিড় বাড়তে শুরু করেছে মহানগর কলকাতায়। সাম্প্রতিক নবান্ন অভিযানের ধুন্ধুমার পরিস্থিতির পর ব্রিগেড জনসভা।

বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটিই প্রথম বৃহত্তম জনসমাবেশ। ইতিমধ্যেই সমাবেশ ঘিরে মহাজোট অর্থাৎ কংগ্রেস, বামফ্রন্ট ও আব্বাস সিদ্দিকীর দলের সহাবস্থানে রাজনৈতিক সমীকরণ মোড় নিতে চলেছে বলেই বিশ্লেষকদের দাবি।

প্রশ্ন উঠছে, রবিবারের ব্রিগেড সমাবেশ কি নির্বাচনে ইভিএমে ঝড় তুলতে পারবে? এই প্রশ্ন তাড়া করছে তৃণমূল ও বিজেপিকে।

গত লোকসভা নির্বাচনের আগে বামফ্রন্ট যে ব্রিগেড সমাবেশ করেছিল তাতে বিপুল জনসমাবেশ হয়। সেই ভিড়ের পরে নির্বাচনে বামেদের ভাঁড়ার শূন্য হয় রাজ্যে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে একজনও বাম সাংসদ দিল্লি যেতে পারেননি। লোকসভার ভোটেই বিজেপি ১৮টি আসন নিয়ে উঠে এসেছে। আসন সংখ্যার নিরিখে পদ্মফুল শিবির এখন বিরোধী দল। তবে বিধানসভার আসন প্রাপ্তির নিরিখে কংগ্রেস প্রধান বিরোধী।

কংগ্রেস ও বামফ্রন্টের জোট ঐক্য কার্যকর হবে তা লোকসভার ফলাফল ঘোষণার পরেই বিধ্বস্থ জোট শিবির থেকে ঘোষণা করেন একমাত্র জয়ী সাংসদ অধীর চৌধুরী। পরে রাজ্যসভা ভোটে কংগ্রেসের সমর্থন নিয়ে সিপিআইএম সংসদে পাঠায় বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যকে।

লোকসভার ভোটের নিরিখে সাত শতাংশ হয়ে যাওয়া বাম শিবিরের কাছে বিধানসভার নির্বাচনের আগে রবিবারের ব্রিগেড সমাবেশ শক্তির বহিঃপ্রকাশ দেখানোর দিন।

দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলি থেকে জোটের বিভিন্ন দলীয় সমর্থকরা ব্রিগেডমুখী। তেমনই কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকা থেকেও ভিড়ের সূচক উর্ধমুখী। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলি থেকে রাতেই এসে গিয়েছেন কংগ্রেস ও বামফ্রন্ট সমর্থকরা।

ভিড়ে ঠাসা ব্রিগেড ময়দান জুড়ে প্রশ্ন ঘুরছে, জনতার উপস্থিতি কি ইভিএমে ঢুকবে?

এদিকে রবিবারের ব্রিগেডে ভার্চুয়ালিও উপস্থিত থাকতে পারছেন না বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। তাই তার আগের দিনই দলের উদ্দেশ্যে বার্তা দেন তিনি। বলেন, “ব্রিগেড সমাবেশ নিয়ে বিভিন্নভাবে খবরাখবর নেওয়ার চেষ্টা করছি। শুনে বুঝতে পারছি বহু মানুষ সমাবেশে আসবেন এবং অনেকে এসে গেছেন। বড় সমাবেশ হবে। এরকম একটা বৃহৎ সমাবেশে যেতে না পারার মানসিক যন্ত্রণা বোঝানো যাবে না। মাঠে ময়দানে কমরেডরা লড়াই করছেন আর আমি শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে ডাক্তারবাবুদের পরামর্শ মেনে চলেছি। ময়দানে মিটিং চলছে আর আমি গৃহবন্দী যা কোনদিন কল্পনাও করতে পারিনি। সমাবেশের সাফল্য কামনা করছি।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।