পটনা: ভারতে প্রতিটা দিন অতিবাহিত হওয়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়ছে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সক্রিয় রোগীর সংখ্যা। কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় তরঙ্গের ফলে দেশের পরিস্থিতি সংকটের দিকে দাঁড়িয়ে। গতমাসে যেখানে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ছিল ১ লক্ষের নিচে, সেখানে বর্তমানে দাঁড়িয়েছে দৈনিক ২ লক্ষেরও বেশি।

রবিবারের পাওয়া তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা ২,৬১,৫০০। আর ভাইরাসের ক্রমবর্ধমান বৃদ্ধির ফলে বিহার সরকার রাজ্যের সমস্ত স্কুল এবং কলেজ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার সোমবার জানিয়েছেন, আগামী ১৫ মে পর্যন্ত সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি কোভিডের কারণে বন্ধ রাখা হবে।

করোনার প্রথম ঢেউ ভারতে খানিকটা নিয়ন্ত্রণে থাকার কারণে বিহার সরকার এপ্রিল মাসের ৫ তারিখ বিদ্যালয়গুলি পুনরায় চালু করার কথা জানিয়েছিল। তবে এপ্রিলের শুরু থেকে ফের করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মাত্রাতিরিক্ত ছড়ালে নীতীশ কুমারের সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি চালু করার তারিখ পিছিয়ে ১১ এপ্রিল রাখে।

কোভিডে পঠন-পাঠন বন্ধ থাকার কারণে বিহার স্কুল এক্সামিনেশন বোর্ড(বিএসইবি) দ্বাদশ শ্রেণীর ইন্টারমিডিয়েড বিভাগের পরীক্ষার রেজিস্ট্রেনের সময়সীমা বাড়িয়ে রাখে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত।

অন্যান্য রাজ্যের মতো বিহার তাদের দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষা ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চ মাসের মধ্যে আয়োজন করেছিল। এই পরীক্ষার ফলাফলও প্রকাশ করা হয়েছে বিহারের বোর্ডের তরফে। ১৩ ফ্রেব্রুয়ারি শেষ হওয়া দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল প্রায় ১৩.৫০ লক্ষ পরীক্ষার্থী। বিহারের ২০২১ সালের দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষায় মোট উত্তীর্ন হয়েছে ৭৭.৯৭ পরীক্ষার্থী। কমার্স বিভাগে উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীর সংখ্যা যেখানে রয়েছে ৯১.৪৮ শতাংশ, সেখানে সাইন্স বিভাগে এই সংখ্যা ৭৬.২৮ শতাংশ।

সম্প্রতি ভারতের সেন্ট্রাল বোর্ড অব সেকেন্ডারি এডুকেশন (সিবিএসই) এবং কাউন্সিল ফর দ্যা ইন্ডিয়া স্কুল সার্টিফেকেট এক্সামিনেশন (সিআইএসই) সমস্ত দশম শ্রেণীর ছাত্রদের পরীক্ষা বাতিল করার সঙ্গে দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষা স্থগিতের কথা ঘোষণা করেছে বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে। উভয় বোর্ড মূল্যায়নের জন্য বিকল্প পদ্ধতি অনুসরণ করে দশম শ্রেণীর ছাত্রদের উত্তীর্ণ করার কথা জানিয়েছে।

সিবিএসই-র ঘোষণার পরে অনেক রাজ্যের শিক্ষা বিভাগগুলি বোর্ড পরীক্ষা বাতিল করেছে । আবার দেশের অন্যতম বড়ো ইঞ্জিনিয়ারিং জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে করোনার সংক্রমণ বেড়ে চলার কারণে। দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষা স্থগিতের জন্য অনেক পড়ুয়া থেকে অভিভাবক সকলে জেইই পরীক্ষাটি স্থগিতের জন্য আবেদন জানিয়েছিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.