স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ময়নাগুড়ির সুভাষনগর হাইস্কুলের ‘প্রশ্ন’ ফাঁস তদন্তে এ বার বিপাকে খোদ পর্ষদের সভাপতি৷ এমনই মনে করছে বিভিন্ন মহল৷ গোটা ঘটনাটিকে নিয়ে ক্ষুব্ধ শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়৷ সোমবার শিক্ষা দফতরে পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় সহ অন্যান্য আধিকারিকদের তিনি তলব করেছেন৷

নদিয়ায় একটি অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী এ দিন বলেন, ‘‘আমি হস্তক্ষেপ করছি ও করব৷ ঘটনাটির পর থেকেই আমি ও আমার দফতর নজরে রেখেছি৷ আমি সোমবার তলব করেছি পর্ষদের সভাপতিকে৷ আসতে বলেছি তাঁকে৷’’ এর পাশাপাশি তিনি বলেন, ‘‘নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবে তো ছাত্ররা৷ শিক্ষকরা কেন নিরপত্তাহীনতার অভিযোগ করছেন৷ আমাদের সরকার সবাইকে নিরাপত্তা দেয়৷ চিন্তার কোনও কারণ নেই৷ সব দিক খতিয়ে দেখে তদন্ত করে তবেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে৷ তদন্ত না করে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা হবে না৷’’

মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরুর আগে থেকেই ট্র্যাকিং ব্যবস্থা নিয়ে পর্ষদের সভাপতি বলেছিলেন, ‘‘কোনও প্রশ্ন বাইরে আসবে না৷ আমার কাছে সার্ভার রুমে তার খবর চলে আসবে৷’’ কিন্তু সার্ভারের ‘গল্প’ কতটা সত্যি ছিল, তা এখন স্পষ্ট হল বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল৷ গত শুক্রবারই এই ঘটনার শুনানি হয় মধ্যশিক্ষা পর্ষদে৷ অভিযুক্ত প্রধানশিক্ষক হরিদয়াল রায়, জেলা পরিদর্শক, স্কুল পরিদর্শক-সহ মোট সাতজনের বয়ান নথিভুক্ত করে পর্ষদ৷

ওই সব বয়ান খতিয়ে দেখেই সিদ্ধান্তে আসা হবে বলে জানান পর্ষদের সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়৷ সূত্রের খবর, বিকাশ ভবনে তাঁকে ডাকার জেরে গোদের উপর বিষফোঁড়া দেখছেন পর্ষদের সভাপতি৷ এই বিষয়ে তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চাননি৷

সপ্তম পর্বের দশভূজা লুভা নাহিদ চৌধুরী।