লন্ডন: এডিসন কাভানি ও পল পগবার গোলে ইপিএলে-এর লিগ টেবলে এক নম্বরে উঠে এল ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড৷ তবে শীর্ষে ফিরলেও এখনই খেতাব নিয়ে ভাবচ্ছেন না ম্যান ইউ কোচ গুনার সুলশার৷ বুধবার প্রতিপক্ষের মাঠে ফুলহ্যামকে ২-১ হারায় ‘রেড ডেভিলস’৷

অবনমনের আওতায় থাকা ফুলহ্যামের বিরুদ্ধে ম্যাচের শুরুতেই পিছিয়ে গিয়েছিল ম্যান ইউ৷ কিন্তু প্রথমার্ধেই দলকে সমতায় ফেরান কাভানি৷ প্রথমার্ধ ১-১ হওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধের পগবার দুরন্ত গোলে ম্যাচ জিতে এক নম্বরে উঠে আসে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড৷ ম্যাচের শুরুর আগে লিগ টেবলে তিন নম্বরে ছিল ম্যান ইউ৷

এই জয়ের ফলে ১৭টি প্রিমিয়র লিগের অ্যাওয়ে ম্যাচে অপরাজিত থেকে অ্যালেক্স ফার্গুসনের রেকর্ড ছুলেন সুলশার৷ ১৯৯৯ সালে এই রেকর্ড করেছিল ফার্গুসনের ‘রেড ডেভিলস’৷ লিগ শীর্ষে উঠে ম্যান ইউ কোচ বলেন, ‘পগবার দুর্দান্ত গোলে আমরা দারুণভাবে ম্যাচ শেষ করেছি৷ কিন্তু প্রথমে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়ে আমরা দারুণভাবে ম্যাচে ফিরি৷ এই জয় আমাদের খেতাবের দৌড়ে এনে দিল ঠিকই৷ কিন্তু লিগের অর্ধেক হয়েছে৷ সুতরাং আমরা এখনই খেতাব নিয়ে ভাবছি না৷’

ম্যাচের পঞ্চম মিনিটেই গোল হজম করে ইউনাইটেড। সতীর্থের থ্রু-বল ধরে অফ-সাইডের ফাঁদ এড়িয়ে ডি-বক্সে ঢুকে দূরের পোস্ট দিয়ে গোল ফুলহ্যামকে এগিয়ে দেন ইংলিশ ফরোয়ার্ড অ্যাডেমোলা লুকম্যান। তবে বেশিক্ষণ এগিয়ে থাকার সুবিধা নিতে পারেনি লিগ টেবলে তলার দিকে থাকা দলটি৷ ২১ মিনিটে কাভানির গোলে সমতায় ফেরে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড৷

ম্যাচের ২০ মিনিটে ব্রুনো ফার্নান্ডেজের শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। কিন্তু পরের মিনিটেই গোল করেন কাভানি। বাঁ-দিক থেকে ব্রুনোর ক্রস বল ধরতে গিয়ে তালগোল পাকান ফুলহ্যাম গোলরক্ষক আলফুঁস আরিওলা। ছ’ গজ বক্সের সামনে বল পেয়ে জালে পাঠান উরুগুয়ের স্ট্রাইকার। প্রথমার্ধে কোনও দলই আর গোল করতে পারনি৷

দ্বিতীয়ার্ধে অর্থাৎ ম্যাচের ৬৫ মিনিটে চমৎকার এক গোলে দলকে এগিয়ে নেন পগবা। ডি-বক্সের বাইরে জায়গা বানিয়ে বাঁ-পায়ের জোরালো শটে গোল করেন এই ফরাসি মিডফিল্ডার। ১৯ ম্যাচে ১২টি জয় ও চারটি ড্র করে ৪০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে উঠে এল ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড। এক ম্যাচ কম খেলে ৩৮ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থান রয়েছে ম্যাঞ্চেস্টার সিটি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.