নয়াদিল্লি: পেঁয়াজের দামে চোখে জল আসছে মধ্যবিত্তের। কলকাতাতেও দাম ১৫০ ছুঁই ছুঁই। এখনই দাম কমার কোনও সম্ভাবনা নেই। এর মধ্যেই আরও একটা খারাপ খবর। দাম বাড়ছে ভোজ্য তেলের। সরষের তেল কিংবা সোয়াবিন অয়েলের দামে এই প্রভাব ইতিমধ্যেই পড়তে শুরু করেছে।

মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় তেলের দাম বেড়েছে। ফলে ভারতকে অনেক বেশি টাকা দিয়ে সেখান থেকে তেল আমদানি করতে হবে। আর তারই বোঝা চাপবে সাধারণ মানুষের উপর। ওই দুই দেশের সবথেকে বড় তেল আমদানিকারী দেশের মধ্যে অন্যতম ভারত।

একইসঙ্গে ভারতে প্রবল বৃষ্টির জেরে চাষ আবাদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দাম বাড়তে শুরু করেছে। গত দু’মাসে অপরিশোধিত তেলের দাম একধাক্কায় ২৬ শতাংশ বেড়েছে। সরষের তেলের দাম কুইন্টাল প্রতি ৩০০ টাকা ও সোয়াবিন অয়েলের দাম কুইন্টাল প্রতি বেড়েছে ৪০০ টাকা।

প্রবল বৃষ্টি খারিফ শস্যের চাষে প্রভাব ফেলেছে। বিশেষত সোয়াবিন চাষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে দেশের বাজারে তেলের দাম বেড়ে গিয়েছে। তবে এতে চাষীদের লাভ হবে বলে জানিয়েছেন ভারতের ‘সলভেন্ট এক্সট্র্যাকটরস অ্যাসোসিয়েশনে’র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর বিভি মেহতা।

৭ অক্টোবরে ১০ কেজি সোয়াবিন তেলের দাম ছিল ৭৫৯.৭৫ টাকা আর ৫ ডিসেম্বরে সেই দাম বেড়ে হয়েছে ৮২৯ টাকা। আগামিদিনে তেল ও তৈলবীজের দাম আরও বাড়বে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, ১০০ থেকে পেঁয়াজ এখন ১২০ টাকা পৌঁছেছে। খুব শীঘ্রই পেঁয়াজের দাম ১৫০-এ গিয়ে ঠেকবে। এখানেই থামবে না। পেঁয়াজ সমস্যা বাড়তে পারে আরও। দাম হতে পারে ২০০ ছুঁই ছুঁই।

টাস্ক ফোর্সের সদস্য কমল দে জানিয়েছেন, ‘আজ দক্ষিণ ভারতের পেঁয়াজের দাম পাইকারি বাজারে ১০৫ টাকা প্রতি কিলো। নাসিকের পেঁয়াজের দাম পাইকারি বাজারে ৯০ টাকা প্রতি কিলো। সেটা যখন খুচরো বাজারে আসছে তখন সেটা ১৩৫ টাকা হয়েই যাবে।’

প্রসঙ্গত খুচরো বাজারে বেশ কিছু জায়গায় ১৪০ টাকা করে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে বলে খবর মিলছে। অনেক খুচরো ব্যাবসায়ী এই সুযোগে এখন থেকেই ১৫০ টাকা কিলো দরে পেঁয়াজ বিক্রি করছেন বলেও খবর মিলছে। তবে দাম ১৫০ ছুঁতে বেশি সময় লাগবে না। কমলবাবু বলেন , ‘এখনই ৩০ শতাংশ গাড়ি কম আসছে কলকাতায়। এবার ডিসেম্বরের শেষের দিকে নতুন পেঁয়াজ উঠবে। তখন আরও সমস্যা বাড়বে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ