কলকাতা: সারদাকাণ্ডে ফের কুণাল ঘোষকে(Kunal Ghosh) তলব করল ইডি (ED)।মঙ্গলবার তাকে ইডি দফতরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। যথা সময়ে হাজির হবেন বলে জানিয়েছেন কুণাল ঘোষ৷

ইডি(এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট) সূত্রের খবর, মঙ্গলবার বেলা ১১টায় কুণাল ঘোষকে (Kunal Ghosh)সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হতে বলা হয়েছে। সারদাকাণ্ডে বেশ কিছু নতুন তথ্য পাওয়া গিয়েছে। ওই ব্যাপারে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন৷

যদিও এই বিষয় তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নোটিশ পেয়েছি। তাই মঙ্গলবার দলের কাজ রাখিনি। এর আগেও তদন্তের মুখোমুখি হয়েছি। এড়িয়ে যাইনি। আগামিকালও যাব৷

এর আগেও সারদাকাণ্ডে ইডির মুখোমুখি হয়েছিলেন কুণাল ঘোষ৷ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইডি তলব করলে, সেই মতো তিনি সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে হাজির হয়েছিলেন৷

জিজ্ঞাসাবাদের পর বেরিয়ে যাওয়ার সময় কুণাল ঘোষ জানিয়েছিলেন, তিনি ইডি এবং সিবিআই-এর কাছে আবেদন করেছেন যাতে বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থার তদন্তে তাঁকে আর বিজেপি নেতা মুকুল রায়কে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হয়৷

তখন মোট ছ’জনকে ইডি নোটিশ দিয়েছিল। তাদের মধ্যে ছিলেন, শতাব্দী রায়, কুনাল ঘোষ, সজ্জন আগরওয়াল, অরিন্দম দাস, দেবব্রত সরকার ও সন্ধির আগরওয়াল। মূলত আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এই নোটিশ দেওয়া হয়।

শুধু কলকাতায় নয়, দু’বছর আগে শিলংয়ে সিবিআই দফতরে পৌঁছে গিয়েছিলেন কুণাল ঘোষ। মেঘালয়ের রাজধানী শহরের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দফতরে যান তৃণমূল কংগ্রেসের এই প্রাক্তন সাংসদ।

সেদিন শিলংয়ের সিবিআই দফতরে পৌঁছে কুণাল ঘোষ বলেছিলেন, “সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে আমাকে আসতে বলা হয়েছিল সেই কারণেই আমি এসেছি। সারদা নিয়ে যাবতীয় তদন্তে আমি তদন্তকারী সংস্থাকে সাহায্য করব।”

উল্লেখ্য, কুনাল ঘোষ সারদাকাণ্ডে ২০১৩ সালের নভেম্বরে গ্রেফতার হন৷ এরপরই তিনি প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেন,তাতে তিনি সারদাকাণ্ডের তদন্তভার সিবিআইকে দেওয়ার আর্জি জানিয়েছিল৷ এছাড়া কুনাল ঘোষ জেলবন্দি অবস্থায় সিবিআইকেও ৯১ পাতার চিঠি লিখেছিলেন৷ সেই চিঠিতে সারদার সুবিধাভোগী হিসাবে রাজ্যের কিছু প্রভাবশালীর নাম ছিল বলে সূত্রের খবর৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.