কলকাতা: বাংলায় কয়লা এবং গরুপাচার কাণ্ডে সিবিআইয়ের পর এবার তল্লাশি শুরু করলো ইডি৷ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) এর ১৫টি দল কলকাতা এবং জেলার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালায়৷

সূত্রের খবর, সোমবার সকালে ইডির বিধাননগরের অফিস থেকে ১৫টি দল তল্লাশি অভিযানে নামে৷ এদের মধ্যে একটি দল কলকাতার বাঙুর ও লেক টাউনে গণেশ বাগারিয়ার বাড়িতে পৌঁছে যান৷ নিজাম প্যালেসে তার অফিসেও হানা দেয় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা৷ এনার্জি অ্যাগ্রো প্রাইভেট লিমিটেড নামে একটি সংস্থার মালিক এই গণেশ বাগাড়িয়া৷

বিনয় মিশ্র ঘনিষ্ঠ আরও দুই ব্যবসায়ী অমিত সিং এবং নীরজ সিং-এর কোন্ননগরের বাড়িতেও হানা দেন ইডি আধিকারিকরা৷ আর দক্ষিণ শহরতলির গড়িয়ার একটি আবাসনে বিশ্বজিৎ মালাকার নামে এক ব্যবসায়ীর ফ্ল্যাটে হানা দেয় ইডি৷ তার বাবা ইসিএল-এর কর্মী৷ কয়লা পাচার কাণ্ডে ওই ব্যবসায়ী এবং তাঁর বাবার সরাসরি যুক্ত বলেই অভিযোগ৷

ইডি সূত্রে খবর, কয়েকজন ইসিএল কর্মী ও আধিকারিকের প্রত্যক্ষ সহযোগিতাতেই বেআইনি কয়লা উত্তোলন ও পাচার চলত৷ অভিযুক্ত কয়েকজন ইসিএল কর্মীকে জেরা করে গড়িয়ার বাসিন্দা মালাকার পদবীর ওই ইসিএল কর্মীর খোঁজ মেলে৷

জানা যায়, তাঁর ছেলে পেশায় ব্যবসায়ী৷ নিয়মিত দুবাইতে যোগাযোগ ছিল তাঁর৷ বিশ্বজিৎ মালাকার কয়লা পাচার থেকে পাওয়া বিপুল অর্থ দুবাইতে রিয়েল এস্টেট প্রোজেক্টে বিনিয়োগ করতেন৷

২০২১ বিধানসভা ভোটের মুখে গরু ও কয়লা পাচার কান্ড নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে সিবিআই ও ইডি৷ ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই৷

সূত্রের খবর,কয়লা পাচারে অভিযুক্ত বিনয় মিশ্রকে ৪ জানুয়ারি নিজাম প্যালেসের সিবিআই দফতরে হাজিরা দেওয়ার জন্য নোটিস পাঠিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (সিবিআই)। কিন্তু তিনি গরহাজির,তাই আগামী ১২ জানুযারি ফের সিবিআই দফতরে তলব করা হয়েছে৷

উল্লেখ্য,২০২০ সালের ডিসেম্বরের শেষদিকে সিবিআই আধিকারিকরা ব্যবসায়ী বিনয় মিশ্রের কলকাতার তিনটি বাড়িতে তল্লাশি চালায়। একটি বাড়ি সিল করে দেওয়া হয়৷ আদালত থেকে রীতিমতো সার্চ ওয়ারেন্ট নিয়ে ওই ব্যক্তির বাড়িতে হানা দিয়েছিল সিবিআই। বিনয় মিশ্রের লেকটাউন ও রাসবিহারী এলাকার দুটি বাড়িতে হানা দিয়েছিল সিবিআই।

যদিও অভিযুক্ত বিনয় মিশ্রের খোঁজ পায়নি সিবিআইয়ের দল। তাকে না পাওয়া যাওয়ায় ইতিমধ্যেই লুকআউট নোটিশ জারি করা হয়েছে সিবিআই-এর তরফে। অভিযোগ, কয়লা পাচার কাণ্ডে টাকা লেনদেনের গোটা প্রক্রিয়া দেখভালের দায়িত্বে থাকতেন বিনয় মিশ্র। কয়লাকাণ্ডে প্রথম থেকেই সিবিআইয়ের নজরে ছিল এই ব্যক্তি। তার মাধ্যমেই বিভিন্ন প্রভাবশালীদের কাছে টাকা পৌঁছে যেত বলে জানতে পেরেছে সিবিআই। এমনটাই সূত্রের খবর৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.