স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: সিবিআইয়ের তদন্তের পর এবার ইডির তল্লাশি৷ ২ হাজার ৬৭২ কোটি টাকার ব্যাংক প্রতারণা মামলায় ইডির তল্লাশি অভিযান৷ শহরের ১১টি জায়গায় চলছে এই তল্লাশি৷ কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের প্রায় ৬০ জন অফিসার কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে অভিযানে নেমেছে৷

কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের প্রায় ৬০ জন অফিসার অভিযানে নেমেছে৷ বৃহস্পতিবার সকালে সল্টলেক সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দফতর থেকে বেরিয়ে কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে শহরে ছড়িয়ে পড়ে৷ সল্টলেক, টালিগঞ্জ, বালিগঞ্জ,গড়িয়াহাট ও কালীঘাটসহ ১১ টি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালায়৷ গনেশ জুয়েলারি হাউস ও তার সহযোগী সংস্থার অফিস এবং আধিকারিকদের বাড়িতেও চলে তল্লাশি৷ বিদেশি মুদ্রার বিনিময়, বিদেশে কালো টাকা পাচার এবং ভুয়ো নথি দিয়ে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে প্রতারণার ঘটনায় তদন্ত শুরু করে সিবিআই ও ইডি৷

ব্যাংক প্রতারণা কান্ডে প্রথমে সিবিআই তদন্তে নামে৷ সেই তদন্তে কলকাতার বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীর নাম উঠে আসে৷ ভুয়ো নথি দিয়ে ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লোন নিয়ে, সে টাকা আর ব্যাংককে ফেরত দেওয়া হয়নি৷ তদন্তে নাম উঠে আসে গনেশ জুয়েলারি হাউস ও তার সহযোগী সংস্থার৷ অভিযোগ, ওই সংস্থা সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে প্রায় ২৫ টি ব্যাংক থেকে টাকা লোন নিয়ে সে টাকা আর ফেরত দেয়নি৷ শুধু তাই নয়, গনেশ জুয়েলারি হাউস সিঙ্গাপুর,হংকংসহ বিদেশের একাধিক জায়গায় সোনা আমদানি ও রপ্তানি করতো৷ সেই ব্যবসা দেখিয়ে লোন নিয়েছে বলে অভিযোগ৷ যদিও এই বিষয়ে ওই সংস্থার কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি৷

কয়েক মাস আগে ব্যাংক প্রতারণা কান্ডে কলকাতা বিমানবন্দর থেকে এক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে ইডি৷ ধৃত ব্যবসায়ী নীরব মোদী ঘনিষ্ঠ বলে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, পঞ্জাব ন্যাশানাল ব্যাংকের লোন নিয়ে প্রতারণা, আর্থিক তছরূপ মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত নীরব মোদী। প্রায় ১১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা জালিয়াতি করে পলাতক নীরব মোদী।