স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: কলকাতা পুলিশ কমিশনার কান্ডে মেট্রো চ্যানেলে ধর্নায় বসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ যে তিন দিন তিনি ধর্না মঞ্চে ছিলেন, ওই তিন দিন সিবিআই ও ইডি শহরে কোনও তল্লাশি অভিযান করেনি৷ ধর্না উঠে যেতেই ফের সক্রিয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা৷

হাওয়ালা কান্ডে মঙ্গলবার রাতে শহরে অভিযানে নামে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের বা ইডি৷ সল্টলেক সিজিও কমপ্লেক্স থেকে তিনিটি গাড়িতে ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা বের হয়৷ কয়েকটি দলে তাঁরা বিভক্ত হয়ে গভীর রাত পর্যন্ত তল্লাশি চালায় তারা পার্ক স্ট্রিটে৷

সিবিআই কিংবা ইডির তদন্তকারী আধিকারিকদের যতই বাধা দেওয়া হোক না কেন, লোকসভা ভোটের আগে যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দুই সংস্থা কোমর বেঁধে নেমেছে তা এখন জলের মত পরিষ্কার৷

এর আগে হাওয়ালা কান্ডে কলকাতা শহর জুড়ে ইডির তল্লাশিতে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য৷ কলকাতা থেকে প্রতিমাসে গড়ে প্রায় ৭০০ কোটি টাকার বিদেশি মুদ্রার লেনদেন হয়েছে৷ বেআইনি পথে এই লেনদেনের তদন্তে নামে ইডি আধিকারিকরা৷ এর পেছনে কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখতে গিয়ে ইডি আধিকারিকদের চক্ষু চড়ক গাছ৷ তাদের নজরে রয়েছে চার আইপিএস৷ সম্পূর্ণ বিষয়টি জানানো হবে সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (আইবি)কে৷

কলকাতা শহরে প্রচুর বিদেশি পর্যটক আসেন৷ আর তাদের হাত ধরে শহরে ঢোকে প্রচুর বিদেশি মুদ্রা৷ মহানগরে রয়েছে প্রচুর বিদেশি মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্র৷ আইনি পথে যে পরিমান বিদেশি মুদ্রা আসে তার থেকে বেশি মুদ্রার হদিশ পেল ইডি৷ এই সংখ্যাটা দেখেও তদন্তকারী আধিকারিকরা অবাক৷