কলকাতা: সারদা-কাণ্ডে ফের নোটিশ দিল ইডি। মোট ছ’জনকে নোটিশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সোমবার ইডির তরফ থেকে এই নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগেও শতাব্দী রায়কে সারদা কেলেঙ্কারিতে নোটিশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। যদিও সংসদে অধিবেশন চলায় এখনই এই তৃণমূল সাংসদ আসতে পারবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন।

এদিন মোট ছ’জনকে ইডি নোটিশ দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন, শতাব্দী রায়, কুনাল ঘোষ, সজ্জন আগরওয়াল, অরিন্দম দাস, দেবব্রত সরকার ও সন্ধির আগরওয়াল। মূলত আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এই নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

সারদা থেকে এরা টাকা নিয়েছিল। কিন্তু সেই টাকা কোথায় ব্যবহার করা হয়েছে, কোথায় কোথায় এদের সম্পত্তি রয়েছে, তা জিজ্ঞাসা করা হবে।

বেআইনি আর্থিক প্রতিষ্ঠান সারদার একটি সংস্থার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর ছিলেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়। বিভিন্ন তথ্য গেঁটে দেখা গিয়েছে ওই সংস্থার সঙ্গে তাঁর আর্থিক লেনদেন হয় বলে দাবি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার। কী কারণে কোন চুক্তির ভিত্তিতে ওই আর্থিক লেনদেন হয়েছে তা জানতে শতাব্দী রায়কে আগেই তলব করেছিল ইডি।

এদিকে, সম্প্রতি নতুন করে ফের সারদা-কেলেঙ্কারির মুখ দেবযানী মুখোপাধ্যায়কে জেরা করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। প্রেসিডেন্সি জেলে গিয়ে সিবিআইয়ের তদন্তকারী আধিকারিকরা জেরা করে এসেছেন।

সিবিআই সূত্রে খবর, গত কয়েকদিন আগে সারদা প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারকে জেরা করে কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। এরপরে তৎকালীন রাজ্য সরকার গঠিত সিটের অন্যতম তদন্তকারী অফিসার অর্নব ঘোষকে দফায় দফায় জেরা করে সিবিআই। এরপরেই সিবিআইয়ের হাতে আসে বেশ কিছু নথি। জানা যায়, বিধাননগর কমিশনারেটে থাকা এই সমস্ত নথি হাতে পান তদন্তকারী আধিকারিকরা। রাজ্যের পুলিশ অফিসারদের জেরা করে বেশ কিছু সারদায় তথ্য পায় সিবিআই। শুধু তাই নয়, কাগজগুলি খতিয়ে দেখেও বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে পান তদন্তকারী আধিকারিকরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.