স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: কীভাবে রোজভ্যালির টাকা গয়নার ব্যবসায় খাটানো হত, এতে কারা কারা জড়িত রয়েছে তা জানতে টানা ২৪ ঘণ্টা ধরে হাওড়া ও কলকাতার একাধিক জুয়েলারি সংস্থায় টানা ২৪ ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালাচ্ছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টর (ইডি)। ইডি সূত্রের খবর, সংশ্লিষ্ট জুয়েলারি সংস্থাগুলির হিসেবে বিস্তর গরমিল রয়েছে৷তদন্তকারী দলের এক সদস্যের কথায়, ‘‘নথিপত্রে যে পরিমাণ গয়না দেখানো হয়েছে, তার থেকে অনেক বেশি পরিমাণ গয়না মজুত ছিল দোকানে। আমরা সবদিকই খতিয়ে দেখছি৷ তদন্তের স্বার্থে সমগ্র তল্লাশি অভিযানের ভিডিও রেকর্ডিং করা হচ্ছে৷’’

বুধবার দুপুরে আচমকায় দুটি দলে ভাগ হয়ে হাওড়া ও বাগুইআটি এলাকায় রোজভ্যালি কর্তা গৌতম কুণ্ডুর স্ত্রী শুভ্রা কুণ্ডুর জুয়েলারি সংস্থায় হানা দেন গোয়েন্দারা৷দোকানগুলি কত পুরনো, সেখানে কি পরিমাণ লেনদেন হয়, নথির সঙ্গে দোকানে মজুত থাকা সোনার হিসেবের মিল রয়েছে কি না সবই খতিয়ে দেখেন ইডি কর্তারা৷

প্রসঙ্গত, বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থা ‘রোজভ্যালি’র নামে বাজার থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা তোলার দায়ে হাজতবাস করছেন গৌতম কুণ্ডু৷ অভিযোগ, বাজার থেকে তোলা অর্থ তিনি জুয়েলারি সংস্থায় বিনিয়োগ করেছেন৷ তা খতিয়ে দেখতেই বুধবার গোয়েন্দারা গৌতম কুণ্ডুর মেয়ে অদৃজার নামাঙ্কিত সংশ্লিষ্ট দুটি জুয়েলারি সংস্থায় হানা দেয়৷

এরই পাশাপাশি বুধবার রাত থেকে বাগুইআটির রঘুনাথপুরের এক গয়নার দোকানে টানা ২৪ ঘণ্টা ম্যারাথন তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি৷ গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, এক মধ্যস্থতাকারী মারফৎ এখানে রোজভ্যালির বিভিন্ন ফান্ডে টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন গৌতম কুণ্ডু। এমনকি গ্রেফতার হওয়ার আগে রোজভ্যালির বিভিন্ন ফান্ডের টাকা এই গয়নার দোকানেই বিনিয়োগ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ৷

ইডি সূত্রের খবর, সংশ্লিষ্ট দোকানগুলির লেনদেনের যাবতীয় কাগজপত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে৷ এক গোয়েন্দা কর্তার কথায়, ‘‘রোজভ্যালি থেকে তোলা টাকা জুয়েলারি সংস্থায় ব্যবহার করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই এই অভিযান৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।