ফাইল ছবি

কলকাতা: অবশেষে ইডি দফতরে হাজিরা দিলেন রোজভ্যালি কর্তা গৌতম কুণ্ডুর স্ত্রী শুভ্রা কুণ্ডু। শুক্রবার সল্টলেক সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দফতরে আসেন তিনি৷ সেখানে তাকে প্রায় তিন ঘন্টা জেরা করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টর (ইডি) এর আধিকারিকরা৷

ইডি সূত্রে খবর, রোজভ্যালি দুর্নীতি মামলায় গৌতম কুণ্ডুর স্ত্রী শুভ্রা কুণ্ডুকে একাধিকবার নোটিশ পাঠালেও তিনি হাজিরা দেননি৷ এরপর ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে শুভ্রা কুণ্ডুর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিশ জারি করা হয়৷ তিনি বিদেশে পালাতে পারেন,এই আশঙ্কায় লুক আউট নোটিশ দেওয়া হয়েছে৷

ফের তাকে হাজিরার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়৷ শুক্রবার সল্টলেক সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দফতরে আসেন৷ প্রায় তিন ঘন্টা তাকে জেরা করে কিছু তথ্য জানা গিয়েছে৷ আরও বেশ কিছু তথ্য হাতে পেতে চায় ইডি৷ তাই আগামী ১৫ দিনের মধ্যে ওই তথ্য ইডি দফতরে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে শুভ্রা কুণ্ডুকে৷

২০১৪ সালে রোজভ্যালি কাণ্ডে প্রধান অভিযুক্ত গৌতম কুণ্ডুর স্ত্রী শুভ্রা কুণ্ডুকে জিঞ্জাসাবাদ করেছিল ইডি৷ সেবার তিনি সন্ধেবেলা সল্টলেকের ইডি দফতরে বোরখা পড়ে হাজিরা দেন৷ সেবার তাঁকে টানা তিন ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে জেরা করেন তদন্তকারী অফিসারেরা৷ তবে এবার সাধারণ পোশাকেই ইডি দফতরে আসেন শুভ্রা৷

ইডি আগেই দাবি করেছে, শুভ্রা কুন্ডুদের অলংকার বিপণির টাকার হিসেবে গড়মিল ধরা পড়েছে। সেখানে ১১০ কোটি টাকার হিসেব মিলছে না। ওই বিপুল পরিমাণ টাকার কি হলো, তা জানতে চায় ইডি। তাই তাকে সল্টলেক সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দফতরে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে একাধিকবার৷

প্রসঙ্গত, বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থা ‘রোজভ্যালি’র নামে বাজার থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা তোলার দায়ে হাজতবাস করছেন গৌতম কুণ্ডু৷ অভিযোগ, বাজার থেকে তোলা অর্থ তিনি জুয়েলারি সংস্থায় বিনিয়োগ করেছেন৷

ইতিমধ্যেই রোজভ্যালি কাণ্ডে প্রথম চার্জশিট জমা দিয়েছে ইডি৷ ১৭ হাজার ৫২০ কোটি টাকা প্রতারণা মামলার চার্জশিট জমা পড়েছে বিশেষ সিবিআই আদালতে৷ চার্জশিটে নাম রয়েছে গৌতম কুণ্ডু-র৷ এছাড়া রয়েছে রোজ ভ্যালি হোটেল এন্টারটেনমেন্টের নামও৷ যাদের বিরুদ্ধে টাকা নয়ছয়ের অভিযোগও রয়েছে৷

 

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I