কলকাতা: সারদাকাণ্ডে বাজেয়াপ্ত করা হয় কুণাল ঘোষ ও শতাব্দী রায়ের সম্পত্তি। শনিবার ইডি তৃণমূলের এই দুই নেতার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে। এর পাশাপাশি দেবযানী বন্দ্যোপাধ্যায়েরও সম্পত্তি এদিন বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। এদিন মোট ৩ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে খবর।

সারদা কাণ্ডে এর আগে একাধিকবার একাধিক জনকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ডাকা হয়েছিল কুণাল ঘোষকেও। তিনি সারদার মিডিয়া গ্রুপের সিইও ছিলেন। সেই কারণে তাঁকে ইডির জেরার মুখে পড়তে হয়। অভিযোগ উঠেছিল, সারদা থেকে কয়েক কোটি টাকা নিয়েছিলেন। এর আগে ইডির মুখোমুখি হয়ে কুণাল ঘোষ জানিয়েছিলেন তিনি সারদা থেকে প্রাপ্ত টাকা ফেরত দিতে চান। এরপরই তিনি টাকা ফেরত দেন। এলআইসি পলিসি বিক্রি করে, ঘনিষ্ঠদের থেকে ঋণ নিয়ে এবং জমানো টাকা দিয়ে সেটই টাকা মেটান তিনি। এরপরও শনিবার তাঁর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, “আমি এই সম্পর্কে কিছু জানি না। আমার কাছে কোনও তথ্য নেই। এর আগে ধার করে, সম্পত্তি বন্ধক দিয়ে টাকা শোধ করেছি। আমার দেওয়ার কথা নয়। কারণ চাকরি করে ন্যায্য প্রাপ্তি পেয়েছিলাম। কিন্তু আমি এই জন্যই দিয়েছি যাতে কোনও অস্বচ্ছ্বতা না থাকে।”

এদিন কুণাল ঘোষের পাশাপাশি শতাব্দী রায়ের সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। তিনি সারদার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর ছিলেন। তাই সারদা থেকে টাকা পেয়েছিলেন তিনিও। তবে কুণাল ঘোষের মতো তিনিও ইডিকে গত বছর টাকা ফেরত দিয়েছিলেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও তাঁর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হল। এর পাশাপাশি সুদীপ্ত সেন ঘনিষ্ঠ এবং কোম্পানির ডিরেক্টর দেবযানীর সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি।

রাজ্যে চলছে বিধানসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই ২ দফার নির্বাচন হলেও এখনও ৬ দফার নির্বাচন বাকি। এই সময়ে তৃণমূল নেতাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার পিছনে অন্য কারণ দেখছে অভিজ্ঞমহল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.