ফাইল ছবি (গুগল থেকে প্রাপ্ত)

স্টাফ রিপোর্টার, হাওড়া: টানা ৩২ ঘণ্টার ম্যারাথন তল্লাশি শেষ করল ইডি৷ গতকাল, বুধবার থেকে তারা হাওড়ায় রোজভ্যালির একটি জুয়েলারি শো-রুমে তল্লাশি চালাচ্ছিল৷ ৩২ ঘণ্টা পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সেই তল্লাশি শেষ হয়৷

বাজেয়াপ্ত মালপত্র নিয়ে এদিন রাত সাড়ে আটটা নাগাদ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) আধিকারিকরা অদ্রিজা নামের ওই শো-রুম ছেড়ে বেরিয়ে যান৷ সূত্রের খবর, কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক, প্রয়োজনীয় নথি ছাড়াও কয়েক কোটি টাকার হিরে ও সোনার গয়না বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি৷ কিন্তু ঠিক কত টাকার হিরে ও গয়না বাজেয়াপ্ত হয়েছে, তা জানা যায়নি৷

আরও পড়ুন: রোজভ্যালি যোগে জুয়েলারি সংস্থায় ম্যারাথন তল্লাশিতে ইডি

তবে ইডি সূত্রে খবর, অর্থলগ্নি সংস্থা রোজভ্যালি বাজার থেকে যে টাকা তুলেছিল, তার থেকে অনেকটাই অদ্রিজা গোল্ড কর্পোরেশন লিমিটেড নামে ওই সংস্থায় বিনিয়োগ করা হয়৷ রোজভ্যালির কর্ণধার গৌতম কুণ্ডু মেয়ের নামে ওই সংস্থা তৈরি করেছিলেন৷ যাঁর মালিক ছিলেন স্ত্রী শুভ্রা কুণ্ডু৷ দু’দিনের তল্লাশি নিয়ে ইডি আধিকারিকরা মুখে কিছু বলতে না চাইলেও জানা গিয়েছে, গৌতম কুণ্ডুকে জেরা করে পাওয়া নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই এই অভিযান চালানো হয়৷ হাওড়ায় ১৮ নম্বর জিটি রোডের ফার্স্ট ফ্লোরে অদ্রিজার শো-রুম ছাড়াও কলকাতার লেক মল ও বাগুইআটির শো-রুমেও তল্লাশি চালানো হয়৷ সেখানে ম্যারাথন তল্লাশি চালানো হয় বলে জানা গিয়েছে৷

আরও পড়ুন: রোজভ্যালি কর্তার স্ত্রী’র জুয়েলারি সংস্থায় হানা ইডি-র

সূত্রের খবর, গত ৩২ ঘণ্টায় খতিয়ে দেখা হয়েছে, অর্থলগ্নি সংস্থার টাকা কীভাবে ওই গয়নার ব্যবসায় কাজে লাগানো হত৷ এতে কারা কারা জড়িত ছিল, সেগুলিও তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখেন৷ শেষ পর্যন্ত হিসেবের চেয়ে অনেক বেশি হিরে-গয়নার হদিশ মেলে হাওড়ার ওই শো-রুমে৷ তার পরই সেগুলি বাজেয়াপ্ত করা হয় বলে ইডি সূত্রে খবর৷ একই সঙ্গে হাওড়ার ওই শো-রুমটিকে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে ইডি৷ দোকান খোলার জন্য ইডির পরবর্তী নোটিশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।