নয়াদিল্লি: বহিষ্কৃত ডিএমকে নেতা এমকে আলাগিরির ছেলের বিরুদ্ধে মানি লউনডারিংয়ের অভিযোগ তুলে প্রায় ৪০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল এনফোর্সমেনট ডিরেক্টর। বুধবার তার স্থাবর – অস্থাবর সম্পত্তি মিলিয়ে ওই পরিমাণ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

এক সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুর্নীতি দমন কমিশনের অধীনে বহিষ্কৃত ডিএমকে নেতা এম কে আলাগিরির পুত্রের ৪০ কোটি মূল্যের ২৫ ধরণের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। চেন্নাই ও মাদুরাইতে জমি – বাড়ি এবং অলিম্পাস গ্রানাইটস প্রাইভেট লিমিটেড নামে এক সংস্থা মিলিয়ে ওই সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। অবৈধ গ্রানাইট খনির মামলায় প্রাইভেসশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট, ২০০২ (পিএমএলএ)এ মামলা রুজু হয়েছে।

ইডি সূত্রে জানা গেছে, সংস্থার অংশীদার এস নাগারাজন এবং আলাগিরি দয়ানিধি সহ অনেকের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক চক্রান্ত, নিকটস্থ অবৈধ খনির জমি দখল এবং সর্বোপরি সরকারকে ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগ ওঠে। তিলকুদ্দুর পুলিশ কর্তৃক দায়ের করা এফআইআর এবং চার্জশিটের ভিত্তিতে পিআইএমএলের অধীনে তদন্ত শুরু হয়েছে।

জানা গেছে, সংস্থা এবং প্রমোটাররা অবৈধভাবে খাজনা আদায় করে অর্থের পরিমাণ অর্জন করেছে। বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, এই উপার্জন অবৈধ কার্যকলাপ থেকে অর্জিত। ২৫ টি স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি সনাক্তকরণের অংশ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে ৪০.৩৪ কোটি টাকার সম্পত্তি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।