নয়াদিল্লি: ঋণ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত আইসিআইসিআই ব্যাংকের প্রাক্তন প্রধান চন্দা কোছারের ৭৮ কোটি টাকার সম্পত্তি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)সাময়িক ভাবে বাজেয়াপ্ত করল। এই সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে চন্দা কোছারের মুম্বইয়ের অ্যাপার্টমেন্টও। তবে সাময়িক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলায় আপাতত ওই অ্যাপার্টমেন্ট ছাড়তে হচ্ছে না, সেখানেই তিনি থাকতে পারবেন। কিন্তু ওই সম্পত্তি বিক্রি বা বন্ধক দেওয়া যাবে না বলে তাঁর আইনজীবী জানিয়েছে।

২০০৯ সালে আইসিআইসিআই ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এমডি) ও চিফ এগজিকিউটিভ অফিসার (সিইও) হন৷ ২০১৮ সালের অক্টোবর পর্যন্ত তিনি ওই পদে ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, ভিডিওকনকে ৩২৫০ কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন করার ক্ষেত্রে আইসিআইসিআই ব্যাংকের সঙ্গে স্বার্থগত সংঘাত রয়েছে৷ ২০১২ সালে ২০টি ব্যাংকের কনসোট্রিয়াম যে ৪০,০০০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়েছিল এটা তারই অংশ৷

অভিযোগ ছিল, ২০১০ সালে ভিডিওকন কর্তা বেণুগোপাল ধূত ৬৪ কোটি টাকা দিয়ে পুরোপুরি মালিকানাধীন নিউপাওয়ায় রিনিওবেলস প্রাইভেট লিমিটেড নামে সংস্থা গড়েন দীপক কোছার এবং তাঁর দুই আত্মীয়কে সঙ্গে নিয়ে৷ তাছাড়া ওই ঋণ নেওয়ার ছয় মাসের মধ্যেই ৯ লক্ষ টাকায় বেণু গোপাল ধূত তার মালিকানা হস্তান্তরিত করেন একটি ট্রাস্টের কাছে যার মালিক দীপক কোছার৷ অর্থাৎ ভিডিওকন গোষ্ঠীকে ৩২৫০ কোটি টাকার ঋণ পাইয়ে দেওয়ার মাধ্যমে তার পরিবারের লোকেরা সুবিধা নিয়েছেন বলে চন্দা কোছারের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে ৷

এই সব অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইতিমধ্যেই ইডি- পাশাপাশি সিবিআই-ও চন্দা কোছারের বিরুদ্ধে তদন্তে নামে ৷ ফলে এর আগেও আইসিআইসিআই ব্যাংকের প্রাক্তন সিইও চন্দা কোছার ও তাঁর স্বামী দীপক কোছারকে ইডির মুখোমুখি হতে হয়েছেন ৷ তদন্তকারী এজেন্সি তখন তাদের বাড়ি অফিস ইত্যাদি তল্লাসি চালিয়েছে৷ তেমনই আবার ভিডিওকন কর্তার বেণুগোপাল ধূতের মুম্বই এবং ঔরঙ্গাবাদে বাড়ি ও অফিসে তল্লাসি চালায়৷