সোয়েতা ভট্টাচার্য,কলকাতা

সোয়েতা ভট্টাচার্য,কলকাতা: কাশ্মীরের পুলওয়ামায় জঙ্গিহানা থেকে চরম শিক্ষা৷ তাই আর আধাসেনা জওয়ানদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে রাজি না ভারতের নির্বাচন কমিশন৷ আধাসেনা জওয়ানদের নিরাপত্তা কড়াকড়ি করতেই আকাশপথে হেলিকপ্টারে চাপিয়ে উপদ্রুত এলাকার বুথে পৌঁছনো হবে৷ শুধু হেলিকপ্টারই নয়, প্রয়োজনে বিমানে চাপিয়েও আধাসেনা জওয়ানদের এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় আনা-নেওয়া হবে বলে ভারতের নির্বাচন কমিশন সুত্রে জানা গিয়েছে৷ বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের মাওবাদীয় অধ্যুষিত এলাকার বুথ গুলিতে হেলিকপ্টারে চাপিয়ে আধাসেনা জওয়ানদের আনা-নেওয়া করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে৷

এই লক্ষ্যেই শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য রাজ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কার্যালয়ে জরুরি বৈঠক হয়৷ এই বৈঠকে এয়ারপোর্ট অথরিটির সঙ্গে আলোচনায় বসে কমিশন কর্তারা৷ আকাশ পথে নিয়ে যাওয়া হলে সময় অনেকটা সাশ্রয় হবে৷ একই সঙ্গে জওয়ানদের কনভয়ে কোন নাশকতার সম্ভাবনাও থাকবে না৷ লত তাদের সুরক্ষা ব্যবস্থা আঁটোসাটো করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে৷

সেই কারণে এক সময়ে মাওবাদী অধ্যুষিত জঙ্গলমহল এলাকায় বিশেষ করে ভোট কর্মী এবং নিরাপত্তা বাহিনীকে আকাশ পথে নিয়ে যেতে হেলিকপ্টারের ব্যবহারে জোর দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন৷ প্রসঙ্গত, ২০০৬ বিধানসভা নির্বাচনে মেদিনীপুরের জঙ্গলমহলে ভোটগ্রহণ পর্ব মিটিয়ে ফেরত আসা ভোটকর্মী এবং নিরাপত্তারক্ষীদের গাড়িটি ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে উড়িয়ে দিয়েছিল মাওবাদীরা৷ ঘটনায় বেশ কয়েকজনের মৃত্যুও হয়েছিল৷ এছাড়াও এমন বেশ কয়েকটি ঘটনার নজির আছে এই রাজ্যের মাওবাদী এলাকায়৷

একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশন ভোট কর্মী, নিরাপত্তা বাহিনীর পাশাপাশি ভোট যন্ত্রটিও আকাশপথ গণনা কেন্দ্রে নিয়ে আসার কথা চিন্তা-ভাবনা করছে৷ বৈঠকে এয়ারপোর্ট অথরিটির সঙ্গে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের এই বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা হয়েছে এদিন৷ এই কাজের জন্য একাধিক হেলিকপ্টার ব্যবহার করতে চাইছে নির্বাচন কমিশন৷

লোকসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণার কয়েকদিন আগেই পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার ঘটনায় ৪০ জন সিআরপিএফ জওয়ান শহিদ হন৷ জখম হন একাধিক জওয়ান৷ তার পর থেকেই দেশজুড়ে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়৷ এমন পরিস্থিতির মধ্যে দেশবাসীরা গণতান্ত্রিক উৎসবে মেতে উঠতে চলেছেন৷ লোকসভা নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে মেটাতে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে নির্বাচন কমিশন৷ নির্বিঘ্নভাবে ভোটপর্ব মেটাতে রাজ্যেও আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী৷ তাদের সুরক্ষা ব্যবস্থার জন্য এই বিশেষ ব্যবস্থা নিতে চাইছে নির্বাচন কমিশন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.