কলকাতা : ভোটের নির্ঘন্টে কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না। তবে করোনা বিধি মেনে ভোট করায় বাড়তি নজর দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। আদালতের নির্দেশ মেনে নির্বাচন কমিশন সর্বদলীয় বৈঠক ডেকে ছিল শুক্রবার। তবে বৈঠক শেষে কমিশন জানিয়ে দিয়েছে কোনওভাবেই ভোটের নির্ঘন্ট পরিবর্তন হচ্ছে না। বাকি চার দফার নির্বাচন চার দিনেই হবে। তবে কমিশনের করোনা বিষয়ক নির্দেশিকা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মানছেন না বলে সংযুক্ত মোর্চার তরফে সিইও-র কাছে নালিশ জানানো হয়। বিজেপি-র তরফে বলা হয়েছে ভোটের স্পিরিট যাতে নষ্ট না হয় সেই বিষয়টা সুনিশ্চিত করতে হবে।

করোনা বিধি মেনে নির্বাচন যাচ্ছে না। এই মর্মে হাই কোর্টে একটিও মামলা হয়েছিল। আদালতের নির্দেশেই নির্বাচন কমিশন শুক্রবার সর্বদলীয় বৈঠক ডাকে। তবে এই বৈঠকে তৃণমূল বাকি তিন দফার নির্বাচন এক দফায় চাইলেও বিজেপি-র তাতে অঅপত্তি ছিল। সংযুক্ত মোর্চার তরফে অভিযোগ করা হয়, কমিশন নির্দেশিত করোনা বিধি যথাযথভাবে মান্যতা দিয়ে নির্বাচন পরিচালনা হচ্ছে না। এমন কী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ করোনা বিধি লঙ্ঘন করছেন রাজ্যে সভা করতে এসে।

বৈঠক শেষে সংযুক্ত মোর্চার তরফে রবীন দেব বলেন, “আমরা সংযুক্ত মোর্চার তরফে রাজ্যের সিইও-র কাছে জানাই যে আমরা করোনা বিধি মেনেই প্রচার বন্ধ রেখেছি। তবে ২০২০ সালে করোনার সময় কী করে রাজ্যে নির্বাচন হবে তা নিয়ে নির্বাচন কমিশন বেশ কিছু নিয়ম ঘোষণা করেছিল। এর পর গত ২৬ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন ঘোষণার দিন নির্বাচন কমিশন এই করোনা সংক্রান্ত নির্দেশিকার কথা বলে। কমিশনের এই নির্দেশ মানা হচ্ছে না বলেই কোর্টে মামলা হয়। কমিশন আমাদের কাছে জানতে চায় কী করতে হবে। আমরা বলি আমাদের কাছে জানতে চাইছেন কেন? আপনারা করোনার মধ্যে নির্বাচন করার জন্য যে ব্যবস্থা নিয়েছেন সেটা কার্যকর হচ্ছে কী না সেটা আগে দেখুন। আমরা করোনা বিধি মেনে চলছি। মিটিং, মিছিল করছি না। গত ৯ এপ্রিল এই বিষয়ে যে নির্দেশিকা দেওয়া হয় সেটা আমরা জানতেও পারিনি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ করোনা বিধি মানছেন না।”

এদিন বিজেপি-র তরফে শিশির বাজোরিয়া কমিশনের বৈঠক শেষে বলেন, “আমরা কমিশনকে বলেছি ভোটের স্পিরিট যাতে নষ্ট না হয় সেটা নিশ্চিত করতে হবে। ভোটাররা ভোটের লাইনে যাতে নিয়ম মেনে দাঁড়ায় সেটা নিশ্চিত করতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রচার করা সম্ভব নয়।” শিশির বাজোরিয়ার কথায় স্পষ্ট হয়ে যায় কোনও ভাবেই বিজেপি বাকি নির্বাচন এক দফায় করার পক্ষপাতী নয় এবং প্রতি দফা নির্বাচনের আগে প্রচারেও তারা আগের মতোই থাকবে। তবে মানুষের প্রাণের কথা ভেবে তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বাকি তিন দফার ভোট এক দফায় করার জন্য কমিশনের কাছে আবেদন জানালেও সেটা নিয়ে কমিশন নির্দিষ্ট করে এখনও কিছু জানায়নি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.