নয়াদিল্লি : সোমবার জাতীয় ভোটার দিবস পালিত হবে। এই বছর একাদশতম বর্ষে পড়ল জাতীয় ভোটার দিবস উদযাপন। ২০১১ সাল থেকে ২৫ জানুয়ারি দিনটিকে জাতীয় ভোটার দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ভোটদানের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরতেই জাতীয় ভোটার দিবস পালন করে নির্বাচন কমিশন।

১৯৫০ সালের ২৫ জানুয়ারি গঠিত হয় ভারতীয় নির্বাচন কমিশন। নতুন ভোটারদের ভোটদানে উত্‍সাহিত করতে ২০১১ সাল থেকে নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠার দিনটিকে জাতীয় ভোটার দিবস হিসেবে পালন করা শুরু হয়। প্রতি বছরের মতো এবারও জাতীয় ভোটার দিবস উপলক্ষ্যে সোমবার নির্বাচন কমিশনের আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ।ভাষণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আঞ্চলিক নাচ, ক্রীড়া ও অংকন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে পালিত হবে এই দিবস।

জাতীয় ভোটার দিবসকে কেন্দ্র করে গত বছর টুইট করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। টুইট বার্তায় মুখ্যমন্ত্রী লিখেছিলেন, ‘‘আমাদের দেশ পৃথিবীর মধ্যে সর্ববৃহৎ গণতন্ত্র। সেই গণতন্ত্র, যেখানে ভোটাররাই শেষ কথা। ভোটদাতাদের আমরা কুর্নিশ জানাই। আমরা সবাই নাগরিক।’’ রাজ্যপালের বার্তা ছিল, ‘‘গণতন্ত্রে আমাদের বিশ্বাস আরও মজবুত করতে হবে। গণতন্ত্রে ভোটাধিকার প্রাথমিক শর্ত। ভোটাধিকার প্রয়োগে আমাদের বাধাহীন, নির্বিঘ্ন এবং স্বাধীন মতপ্রকাশের পরিবেশ রাখতে হবে। আমরা সকলেই সেই লক্ষ্যে কাজ করব।’’

এদিকে, কয়েকমাস পরই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন৷ সূত্রের খবর ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহেই ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। মনে করা হচ্ছে ৫ মে-র আগে রাজ্যে ভোট মিটিয়ে ফেলতে চাইছে নির্বাচন কমিশন। করোনা আবহে ৬ থেকে ৭ দফায় নির্বাচন করানোর পরিকল্পনায় রয়েছে নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই ২ দফায় রাজ্যের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখে গিয়েছেন ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করতে বদ্ধ পরিকর নির্বাচন কমিশন। তার আগাম বার্তা আগেই জেলা শাসক ও পুলিশ সুপারদের দিয়ে রেখেছেন ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।